Ghee for Collagen Production

তারুণ্যের চাবিকাঠি কোলাজেন! শরীরেই তা তৈরির উপায় বলে দিলেন ক্যাটরিনা-দীপিকার পুষ্টিবিদ

কোলাজেন হল এমন এক প্রোটিন, যা ত্বকের টানটান ভাব ফিরিয়ে আনার আসল চাবিকাঠি। সেই সারসত্য যাঁরা জেনেছেন, তাঁরাই চোখ-কান বুঝে কোলাজেন বৃদ্ধিতে মন দিয়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:২৯
ঘি কি তারুণ্যের চাবিকাঠি? কী বলছেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং ক্যাটরিনা কইফের পুষ্টিবিদ।

ঘি কি তারুণ্যের চাবিকাঠি? কী বলছেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং ক্যাটরিনা কইফের পুষ্টিবিদ। ছবি : এআই সহায়তায় প্রণীত।

বয়স বাড়ুক কিন্তু বৃদ্ধ দেখালে চলবে না। এমন ইচ্ছে অনেকেরই থাকে। সে কথা আলাদা যে, বয়সের ছাপ পড়ার পরেও দেখতে ভাল লাগে অনেককে। বলিউডে, হলিউডে এমন উদাহরণও রয়েছে। কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রে যতই ‘এজিং লাইক ফাইন ওয়াইন’-এর উপমা টানা হোক, নিজের বেলায় টানটান ত্বকের জন্য হাজার রকম চিকিৎসা করাতে পিছপা হন না অনেকেই। আর এই ধরনের চিকিৎসায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঘুরে ফিরে আসে একটি শব্দ, 'কোলাজেন'।

Advertisement

কোলাজেন হল এমন এক প্রোটিন, যা ত্বকের টানটান ভাব ফিরিয়ে আনার আসল চাবিকাঠি। সেই সারসত্য যাঁরা জেনেছেন, তাঁরাই চোখ-কান বুঝে কোলাজেন বৃদ্ধিতে মন দিয়েছেন। কোলাজেন ক্রিম, কোলাজেন ফেসিয়াল, কোলাজেন ট্যাবলেট, কেউ কেউ কোলাজেন পাউডার জলে গুলেও খাচ্ছেন। এক পুষ্টিবিদ অবশ্য জানাচ্ছেন, এ সবের দরকার নেই। এ দেশের ঘরে ঘরে থাকা একটি সাধারণ উপকরণও শরীরে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে দিতে পারে।

ওই পুষ্টিবিদের নাম শ্বেতা শাহ। ক্যাটরিনা কাইফ, দীপিকা পাড়ুকোনের দৈনন্দিন খাওয়াদাওয়ার রুটিন তাঁরই হাতে তৈরি। মুম্বই নিবাসী ওই পুষ্টিবিদ বলছেন, ‘‘প্রতি দিন সকালে ১ গ্লাস গরম জলে ১ চা চামচ ঘি গুলে খেলেই ত্বকের জেল্লা বাড়বে।’’ এই টোটকা একাই কোলাজেন ট্যাবলেটের বিকল্প হিসাবে কাজ করতে পারে বলেও জানিয়েছেন শ্বেতা। তিনি বলেছেন, ‘‘নিয়মিত এই রুটিন মানলে ৮-৯ সপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের ভোল বদলাবে। তবে প্রথম তিন সপ্তাহে সে ভাবে তফাত চোখে না-ও পড়তে পারে।’’ এর পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য গাজর আর কুমড়োর স্যুপও খেতে বলেছেন তিনি।

ঘি কি সত্যিই কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে?

মুম্বই নিবাসী তারকা ত্বকের চিকিৎসক রেশমি শেট্টী সম্প্রতি ত্বকের সমস্যা নিয়ে সবিস্তার আলোচনা করেছেন এক পডকাস্টে। সেখানে তিনি বলছেন, ‘‘ঘি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত উপকারী। কারণ, ঘিতে ত্বক ভাল রাখার জন্য জরুরি ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে রয়েছে। এই প্রত্যেকটি ভিটামিনই ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।’’

দিল্লির এক পুষ্টিবিদ ডিম্পল জাংরা আবার বলছেন, ‘‘ঘিকে আয়ুর্বেদে পুনরুজ্জীবক হিসাবে ধরা হয়। কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তা কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে এবং ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।’’

কিন্তু বয়স ৪০ পেরোনোর পরে যখন শরীরে হরমোনের প্রকৃতি বদলাতে শুরু করে এবং কোলাজেনের উৎপাদনও কমতে শুরু করে, তখনও কি ঘি কার্যকর? সেই বিষয়টি এখনও গবেষণাসাপেক্ষ।

Advertisement
আরও পড়ুন