ছবি: সংগৃহীত।
বয়স ৩০ না পেরোতেই মাথার এ-পাশ, ও-পাশ থেকে দেখা দিতে শুরু করছে পাকাচুল। নেপথ্যে ভেজাল মেশানো খাবার নাকি রূপ নিয়ে অতি সচেতনতার দৌলতে চোখে পড়ছে বেশি— সেই বিতর্ক আলাদা। কিন্তু পাকাচুল ঢাকার যে সমস্ত বিকল্প হাতের কাছে রয়েছে, তা-ও কি নিশ্চিন্তে বেছে নেওয়া যাচ্ছে?
রং পাকা করতে ব্যবহার করা রাসায়নিক ডাই চুলে লাগানোর পরে দেখতে হয়তো ভাল লাগছে কিন্তু কিছু দিন পরেই যখন চুল বাড়ছে, দেখা যাচ্ছে, গোড়ার কাছে প্রায় সব চুলই রং বদলেছে। যা সাদা ছিল, তার সঙ্গে যা সাদা ছিল না, সেই চুলের গোড়াতেও রূপোলি ছোঁয়া লেগেছে। এমন সমস্যা এড়াতে চান যাঁরা, তাঁরা কী করবেন? সময়সাপেক্ষ হলেও এ ব্যাপারে প্রাকৃতিক কিছু বিকল্প নিরাপদ। বাজারের ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া ও প্যারাবেনযুক্ত ডাই বর্জন করে অনেকেই হেনা বা মেহেন্দি ব্যবহার করেন। তার বাইরে তিন প্রাকৃতিক পদ্ধতির সন্ধান রইল।
ইন্ডিগো পাউডার
যারা মেহেন্দির লালচে ভাব পছন্দ করেন না এবং চুল সম্পূর্ণ কালো করতে চান, তাদের জন্য ইন্ডিগো পাউডার সেরা বিকল্প। প্রথমে চুলে মেহেন্দি লাগিয়ে ধুয়ে নেওয়ার পর, দ্বিতীয় ধাপে ইন্ডিগো পাউডার ব্যবহার করলে চুল একদম কুচকুচে কালো বা গাঢ় বাদামী হয়। এই পদ্ধতি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং রাসায়নিকমুক্ত।
আমলকি ও শিকাকাই
আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন সি রয়েছে, যা চুলের মেলানিন ধরে রাখতে সাহায্য করে। আমলকি ও শিকাকাই গুঁড়ো একসঙ্গে ফুটিয়ে পেস্ট তৈরি করে চুলে লাগালে পাকা চুল ঢাকা পড়ে এবং নতুন চুলেও পাক ধরার প্রবণতা কমে।
কফি ও চায়ের লিকার
সাময়িকভাবে পাকা চুল ঢাকতে কফি বা চায়ের ঘন লিকার ভাল কাজ করে। ঘন লিকার তৈরি করে তা ঠান্ডা করে চুলে দিয়ে আধঘণ্টা রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলে একটি সুন্দর চকোলেট বা বাদামী আভা দেয়।