চুল লম্বা হবে, জট পড়ার সমস্যাও থাকবে না, তিন রকম তেল ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
চুল নরম ও মসৃণ রাখতে এখন হেয়ার সিরাম ব্যবহারের খুব চল। তবে মা-ঠাকুরমারা চুলের যত্নে তেলের উপরেই ভরসা করতেন বেশি। তেলে-জলেই চুল তাজা থাকে, জট পড়ার সমস্যাও হয় না। তবে বাজারচলতি সুগন্ধি তেল নয়, চুলের জন্য তেল বানিয়ে নিন বাড়িতেই। ভেষজ উপকরণে তৈরি সে সব তেল যেমন চুল পড়া বন্ধ করবে, তেমনই চুল অকালে পাকতেও দেবে না।
অ্যালো ভেরা ও নারকেলের তেল
অ্যালো ভেরা গাছের একটি বড়সড় তাজা পাতা নিন। ছুরি দিয়ে পাতার দু’ধার কেটে, উপরের সবুজ অংশটা খুলে ফেলুন। বার করে নিন পাতার মধ্যে থাকা শাঁস।একটি পাত্রে অ্যালো ভেরার শাঁসের সঙ্গে বিশুদ্ধ নারকেল তেল বেশ কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে মৃদু আঁচে গরম করতে হবে। ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। এক সময় খয়েরি রং ধারণ করবে মিশ্রণটি। সেই তেল নিয়ম করে মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যাও দূর হবে।
কারিপাতা ও মেথির তেল
এক কাপের মতো নারকেল ভাল করে ফোটান। কম আঁচে ফোটাতে হবে। এর সঙ্গে মিশিয়ে দিন ২ চামচের মতো মেথি দানা এবং একমুঠো কারিপাতা। তেলের রং যত ক্ষণ না বদলাচ্ছে, তত ক্ষণ ফোটাতে হবে। রং কালচে হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে কাচের শিশিতে ভরে রাখুন। এই তেল মাখলে চুল পড়া বন্ধ হবে, অকালে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যাও থাকবে না।
আমলকি ও তিলের তেল
আমলকিতে থাকা ভিটামিন-সি চুলে পুষ্টির জোগান দেয়। তিল চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। এক কাপ নারকেল তেলের মধ্যে আমলকি টুকরো করে দিয়ে ফোটাতে থাকুন। এতে আধ কাপের মতো তিল মিশিয়ে দিন। কম আঁচে ফোটাতে হবে। আমলকির রস তেলের সঙ্গে মিশে গেলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই তেল অনেক দিন সংরক্ষণ করে রাখা যবে।