ভ্রু ঘন হোক সিরামের গুণেই। বাড়িতে কী ভাবে তা বানাবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
প্রসাধনীর বাজারে চর্চা এখন সিরাম নিয়ে। ত্বকের ধরন রুক্ষ হোক বা তৈলাক্ত, বলিরেখা থাক বা ব্রণ— সমস্যা অনুযায়ী আলাদা আলাদা সিরাম রয়েছে। সিরাম শুধু ত্বককে আর্দ্রই রাখে না, বরং ভিতর থেকে পুষ্টি জুগিয়ে ত্বককে করে তুলে আরও সুন্দর।
চোখ যতই টানা হোক, ভ্রু যদি লম্বা, টানা এবং ঘন না হয়, রূপ ঠিক খোলে না। তাই রূপটানের অন্যতম অঙ্গ হল ভ্রুর সজ্জা। মুখের গড়ন অনুযায়ী ভ্রু যুগলকে সুন্দর, ঘন করে তোলেন রূপটানশিল্পীরা। তবে তা তখনই সুন্দর করে যায়, যদি কারও নিজস্ব ভ্রু ঘন, সুন্দর এবং নিয়তাকার হয়।
কিন্তু সকলের ভ্রু তো লম্বা বা ঘন হয় না! কারও যেমন ভ্রুর রং খয়েরি বা বাদামি, কারও আবার ভ্রু হালকা বা পাতলা। আকারেও তা ছোট হয় কারও। আর এই সবেরই জন্যই বেছে নিতে পারেন সিরাম। আর তা তৈরি হতে পারে ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে।
ক্যাস্টর গাছের বীজ পিষে তৈরি হয় ক্যাস্টর অয়েল।এতে রয়েছে ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬ ফ্যাাটি অ্যাসিড। ভিটামিন ই এবং জরুরি বেশ কিছু খনিজ। এতে পাওয়া যায় প্রোটিনও। ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে আরও তিন উপকরণের মিশেলে বানিয়ে ফেলুন সিরাম।
কী এ উপকারিতা
· ভ্রু ঘন এবং মসৃণ করে
· আর্দ্রতা জোগায়
· ভ্রু ঝরে পড়ার প্রবণতা কমায়
কী ভাবে বানাবেন?
ক্যাস্টর অয়েল এই সিরামের মূল উপকরণ। তাই তেল যেন খাঁটি হয়, দেখা দরকার। কোল্ড প্রেসড অয়েলই সবচেয়ে ভাল। রঙিন কাচের শিশিতে রাখলে ভাল, কারণ, এটি সরাসরি সূর্যালোকে রাখলে নষ্ট হতে পারে।
২ টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ কাঠবাদামের তেল বা হোহোবা অয়েল মিশিয়ে নিন। যোগ করুন আধ চা-চামচ অ্যালো ভেরা জেল এবং ৩-৪ ফোঁটা ভিটামিন ই (ক্যাপসুলের মধ্যস্থ ঘন তরল)। সমস্ত উপকরণ খুব ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে।
বাড়িতে যদি পুরনো মাস্কারা থাকে সেটি ভাল করে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। শুকিয়ে নেওয়া জরুরি। মাস্কারার বোতলে মিশ্রণটি ঢেলে নিন। মাস্কারার ব্রাশ দিয়ে প্রতি রাতে ভ্রুর উপর সিরামটি বুলিয়ে দিন। নিয়মিত ব্যবহারে ভ্রু আরও সুন্দর দেখাবে।
New