সাদা চুল কালো হবে, কোন ৫ খাবারে চুল পাকার সমস্যা ঘুচবে? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
একমাথা সাদা চুল কালো করার বাসনায় কতই না প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়। চুলে নানাবিধ রং বা হাইলাইট করানোর চলও হয়েছে এখন। তবে সে সব ক্ষণস্থায়ী। সময় ফুরোলে রং উঠে গিয়ে চুল আবার যে কে সেই সাদা হয়ে যায়। এক বার চুলে পাক ধরতে শুরু করলে তা স্বাভাবিক ভাবে কখনও কালো হয় না। বরং খুব দ্রুত মাথার বাকি অংশও সাদা হতে থাকে। জিনগত কারণে হোক বা শারীরিক সমস্যা, যে কারণেই চুলে পাক ধরুক না কেন তার সমাধানের উপায়ও আছে। প্রসাধনী ব্যবহারে তা হবে না। বরং ভিতর থেকে চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগাতে হবে, বৃদ্ধি করতে হবে মেলানিন রঞ্জকের মাত্রা যা চুলের কালো রং ধরে রাখে। সে জন্য পাঁচ খাবারই যথেষ্ট। তবে ব্যবহার করতে হবে নিয়ম মেনে।
কোন পাঁচ খাবারে সাদা চুল কালো হবে
আমলকি ব্যবহারের ৫ নিয়ম
গোটা আমলকি ভাল করে ধুয়ে চিবিয়ে খেলে কাজ হবে।
আমলকি রোদে রেখে শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেতে পারেন। দিনে এক চামচ করে আমলকির গুঁড়োর সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে চুলের জেল্লা ফিরবে।
খালি পেটে ১ চামচ আমলকির রস ঈষদুষ্ণ জলে মিশিয়ে খেতে পারেন।
চুল কালো করবে আমলকি।
আমলকির রস সামান্য অ্যালো ভেরার সঙ্গে মিশিয়ে চুলে মাখলেও উপকার হবে।
এক কাপ নারকেল তেল হালকা গরম করে তাতে আমলকির গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। ভাল করে ফুটিয়ে এই তেল শিশিতে ভরে রাখুন। সপ্তাহে তিন দিন মালিশ করলেই লাভ হবে।
কালো তিলের ব্যবহার
প্রতি দিন সকালে ১ চামচ কালো তিল চিবিয়ে খেতে পারেন। অথবা তিল বাটা খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন।
কালো তিল বেটে তা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা করে তিলের তেল মালিশ করতে পারেন মাথায়।
অকালপক্বতা ঘোচাবে কালো তিল।
তিলের গুঁড়ো আটার সঙ্গে মেখে রুটি বানিয়ে খেতে পারেন।
কালো কিশমিশ
চুল পাকার সমস্যা দূর করবে কালো কিশমিশ।
৫টি করে কালো কিশমিশ রোজ রাতে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে খেলে শরীরও ‘ডিটক্স’ হবে, চুল পাকার সমস্যাও দূর হবে।
কারিপাতার ব্যবহার
রোজের খাবারে কারিপাতার ব্যবহার করলে ভাল।
৫-১০টি কারিপাতা ভাল করে ফুটিয়ে নিন। সেই জল ঈষদুষ্ণ অবস্থায় পান করলে উপকার পেতে পারেন।
কারিপাতার ব্যবহার
আমলকি বেটে তার সঙ্গে কারিপাতা মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে হজম ভাল হবে, পেটের সমস্যাও দূর হবে।
ঘি
সকালে খালি পেটে ১ চামচ করে দেশি ঘি খেতে পারেন, এতে ত্বকের জেল্লাও ফিরবে, চুলের স্বাস্থ্যও ভাল হবে।
চুলের স্বাস্থ্য ফেরাবে ঘি।
আধ চামচ ঘিয়ের সঙ্গে সমপরিমাণ আমলকির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে উপকার পেতে পারেন।
সকালে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়েও খেতে পারেন।