Skin Boosting Treatment

বোটক্সের জায়গা নিচ্ছে ‘স্কিন বুস্টিং’! অকালে বুড়িয়ে যাওয়া ত্বকের সৌন্দর্য ফেরানোর থেরাপিটি ঠিক কী?

শুষ্ক, অকালে বুড়িয়ে যাওয়া, নিষ্প্রাণ ত্বকে ফের নবযৌবনের জেল্লা এনে দিতে পারে এস্থেটিক ট্রিটমেন্ট। কোনও রকম সার্জারি ছাড়াই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির এমন চিকিৎসা পদ্ধতি ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে। আর সেখানেই নাম উঠেছে স্কিন বুস্টিংয়ের। বোটক্সের চেয়েও এই থেরাপি কেন বেশি পছন্দের?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ১৪:২২
What is skin boosting, the Ultimate Secret to Hydrated, Glowing and Ageless Skin

স্কিন বুস্টিং করাচ্ছেন অনেকেই, কেমন সে পদ্ধতি, কী লাভ হয়? ছবি: ফ্রিপিক।

বাড়ছে তাপ। বাড়ছে দূষণও। ফলস্বরূপ দেখা দিচ্ছে ত্বকের নানা সমস্যা। বলিরেখা থেকে ব্রণ, অকালেই বুড়িয়ে যাচ্ছে ত্বক। মেচেতার দাগ স্পষ্ট হচ্ছে চল্লিশের আগেই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এস্থেটিক ট্রিটমেন্টের সাহায্যে। ত্বকের বার্ধক্য ঠেকাতে যে সব অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্ট নিয়ে বেশি মাতামাতি হচ্ছে, তার মধ্যে এস্থেটিক ট্রিটমেন্ এক প্রকারের। কোনও রকম সার্জারি ছাড়াই ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া ভাব আটকায় এই চিকিৎসা পদ্ধতি। এর পাশাপাশি, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বলিরেখা ঠেকানো, দাগছোপ দূর করা, ব্রণ-ফুস্কুড়ি বা র‌্যাশের মতো সমস্যারও সমাধান করতে পারে। এস্থেটিক ট্রিটমেন্ট নানা প্রকারের হয়। তার মধ্যে একটি হল ‘স্কিন বুস্টিং’। বোটক্সের চেয়েও এই থেরাপি এখন কমবয়সিদের কাছে বেশি পছন্দের।

Advertisement

কী ভাবে করা হয় বুস্টিং?

মাইক্রোইঞ্জেকশনের সাহায্যে ত্বকে পুষ্টি উপাদান প্রবেশ করিয়ে ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনার পদ্ধতিই হল স্কিন বুস্টিং। সচরাচর হায়ালুরনিক অ্যাসিড বা প্রোটিন প্রবেশ করিয়ে এই চিকিৎসা করা হয়। এক বার ইঞ্জেকশন দেওয়ার মোটামুটি সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই ফল দেখতে পাওয়া যায়। ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল, কোমল ও মসৃণ।

বোটক্সের ক্ষেত্রে বোটুলিনাম টক্সিন নামে এক প্রকারের প্রোটিন ত্বকে প্রবেশ করানো হয়। এতে মুখের চামড়া সাময়িক ভাবে অবশ বা অসাড় হয়ে যায়। কিন্তু বুস্টিংয়ে সে সব হয় না। সরাসরি হায়ালুরনিক অ্যাসিড, প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি, সি, খনিজ উপাদান, পেপটাইড বা গ্লুটাথায়োন ত্বকে প্রবেশ করানো হয়। এই সব উপাদান ত্বকের গভীর অবধি পৌঁছে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে ও কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। এতে ত্বকে অবশ ভাব আসে না অথবা বোটক্সের মতো ত্বকের ধরন বদলে যায় না বা মুখের অভিব্যক্তিতে কোনও বদল আসে না।

সূক্ষ্ম মাইক্রো-নিড্ল‌ দিয়ে ত্বকে এই সব উপাদান প্রবেশ করানো হয়। এতে জ্বালা বা যন্ত্রণা হয় না। তবে অনেক সময়ে স্কিন বুস্টিংয়ে গ্রাহকের চাহিদা মতো গ্লুটাথায়োনও ইঞ্জেক্ট করা হয় ত্বকে। গ্লুটাথায়োন ত্বকের উজ্জ্বলতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে, তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। তাই স্কিন বুস্টিং করালে ভাল জায়গা থেকে করানোই শ্রেয়। বুস্টিংয়ের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অ্যালার্জি বা সোরিয়াসিস, কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের মতো চর্মরোগ থাকলে বুস্টিং না করানোই ভাল।

Advertisement
আরও পড়ুন