অশিক্ষাই কি দুর্নীতির কারণ? কী বলছেন পোশাকশিল্পী অভিষেক রায়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
অভিষেক রায়: একটু পক্ষপাতদুষ্ট হয়েই বলতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, বিকল্প হিসাবে অন্য কোনও মুখ দেখতে পাচ্ছি না।
অভিষেক: দলের আদর্শ বা নীতি কী, সেটা তো দেখতেই হয়। তবে প্রার্থী দেখেও ভোট দিই।
অভিষেক: পরীক্ষার চেয়েও যোগ্যতার মাপকাঠি থাকা বেশি জরুরি। বিশেষত শিক্ষাগত যোগ্যতা। শিক্ষিত মানুষ নিজের কর্তব্য ঠিক বুঝে নেন। দুঃখের বিষয় হল, এ দেশের বহু রাজনৈতিক নেতারই সেই যোগ্যতা নেই।
অভিষেক: বিধায়ক নিজের কর্তব্যটুকু ঠিক করে করলেই অনেক কিছু বদলায়। আমি বিধায়ক হলে শুধু ভোটের সময়ে হাজির না হয়ে সারা বছর নিজের এলাকার সমস্যাগুলো সামলাতাম।
অভিষেক: রাজ্যের তাঁতশিল্পের উন্নয়ন দরকার। আমাদের এখানে যে সম্পদ আছে, তার সম্ভাবনা বিপুল। বর্তমান সরকার করেছে। আরও অনেক কিছু করার সুযোগ আছে।
অভিষেক: সবচেয়ে বড় সমস্যা মূলেই। এখানে অশিক্ষিত মানুষ রাজনীতি করেন। তাঁদের নীতির জায়গাটায় গন্ডগোল আছে বলেই এত দুর্নীতি হচ্ছে!
অভিষেক: বহু মানুষ দল দেখে ভোট দেন। সেই ভোটে জিতে যিনি দল বদলাচ্ছেন, তিনি তো নিজের অস্তিত্বও পাল্টাচ্ছেন। তাই আইন হওয়া উচিত, দলবদল করলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ অবিলম্বে খারিজ করা হবে।
অভিষেক: আসলে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগরার প্রাণ যায়! যাঁরা বাজে কথা বলছেন, তাঁরা হয়তো পরে পাশাপাশি বসে খাচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের উসকানিতে লড়াই করে ঘায়েল হচ্ছেন নিচু স্তরের কর্মীরা।
অভিষেক: সরকার নির্বাচন করার সময়ে একটাই বিষয় বিচার করা উচিত — মানুষের উন্নয়ন।
অভিষেক: সরকার ভাতা দিচ্ছে মানে করুণা করছে না। বরং একটা মানুষকে তাঁর ন্যূনতম কিছু প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করছে। যাতে ওই সাহায্যে ভর দিয়ে তারা জীবনে আরও এগোতে পারে। লড়তে পারে।
অভিষেক: গণতন্ত্রে সব সময় বিরোধী থাকা উচিত।
অভিষেক: মানুষ চেনে বলেই, সেটাকে কাজে লাগাতে ভোটে দাঁড়ালাম, এটা ঠিক নয়। দায়িত্ব নিলে পালন করতে হবে। রাজনীতি যে কেউ করতে পারেন। দেখতে হবে, তাঁর কি মানুষের কাজ করার প্রকৃত ইচ্ছে আছে।
অভিষেক: লড়াই করে উঠে আসা নেত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মান করি। তাঁর সব নীতি হয়তো পছন্দ করি না। তবে তৃণমূল স্তর থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক নেতা হিসাবে তাঁরই নাম বলব।