জিনিসপত্র কোথায় রাখবেন বুঝতে পারছেন না? বাড়ির তিন জায়গাই হতে পারে আদর্শ। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বড় বাড়ি হোক বা দু’কামরার ফ্ল্যাট—জিনিসপত্র রাখা নিয়ে জায়গার অভাব চট করে মেটে না। প্রথম দিকে, ফাঁকা থাকা বাড়িতে বা ঘরে জিনিসপত্র রাখার জায়গার সমস্যা হয় না। তবে দিন যত যায়, জায়গা ক্রমশই ভরতে থাকে আসবাব এবং রকমারি জিনিসপত্রে। একটা সময় আসে, যখন বই থেকে পোশাক, হেঁশেলের বাসন কোথায় কোনটি রাখা হবে বোঝা যায় না। এমন সমস্যার সমাধানে বেছে নিতে পারেন বাড়ির তিন স্থান। সামনেই থাকবে সব জিনিস, কিন্তু তা অগোছালো ঠেকবে না। ঘরের সৌন্দর্যও নষ্ট হবে না।
বেঞ্চ এবং ক্যাবিনেট
বাড়ির খাওয়ার জায়গার কাছেই এমন কিছু বানালে জিনিস রাখতে সুবিধা হবে। ছবি: সংগৃহীত।
কোনও বাড়ির হেঁশেল হয় উন্মুক্ত, সংলগ্ন জায়গাতেই খাওয়ার টেবিল থাকে। আবার এখনকার অনেক বাড়িতে বা ফ্ল্যাটে বসার জায়গা এবং খাওয়ার স্থানটি থাকে একত্রে। এমন জায়গাটি বেছে নিন হেঁশেলের জিনিস রাখার জন্য। দরকার হবে সঠিক অন্দরসজ্জার। তৈরি করিয়ে নিন বেঞ্চ-ক্যাবিনেট। ক্যাবিনেট থাকবে বসার জায়গা ঘিরে। বসার জায়গার নীচেও থাকবে জিনিসপত্র ভরে দেওয়ার মতো দেরাজ বা আড়াল। এমন সজ্জা ঘরের সঙ্গে বেশ মানানসই হবে।
সাজানো থাক বই
বইয়ের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে, কোথায় রাখবেন বুঝতে পারছেন না? বাড়ির দেওয়ালের একাংশেই বানিয়ে নিন বই রাখার জায়গা। পছন্দসই দেওয়ালেই শৌখিন ভাবে ছোট ছোট খোপ বানিয়ে নিন। সেখানে বইপত্র, ছবি, ছোটখাটো কাজের জিনিস সাজিয়ে রাখুন। পাশেই থাকুক আরামদায়ক চেয়ার আর মানানসই টেবিল।
সিঁড়ির নীচে আলমারি
সিঁড়ির নীচের তেরছা অংশটিও অনেক সময় ফাঁকা পড়ে থাকে। জায়গাটি নিচু বলে কেউ কেউ সেখানে অপ্রয়োজনীয় জিনিস রেখে দেন। তবে এই জায়গাটিও সুন্দর করে কাজে লাগানো যায়। সিঁড়ির নীচের জায়গাটি সুন্দর করে প্লাইউড দিয়ে কাবার্ডের মতো করে নিন। ভিতরে থাক ছোট ছোট তাক। তার মধ্যেই প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলি গুছিয়ে রাখতে পারেন।