অপ্রয়োজনীয় কোন কোন জিনিস ফেলে দিলে ঘর পরিচ্ছন্ন দেখাবে? ছবি: সংগৃহীত।
নতুন বাড়িও বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ভরে যায় নানা জিনিসে। তার সবটাই যে প্রয়োজনীয়, তা কিন্তু নয়। তবু রয়ে যায় অনেক জিনিস। কখনও তা পরে কাজে লাগতে পারে ভেবে রেখে দেওয়া হয়, আবার কখনও তা ফেলার কথা মনে থাকে না। আপাত ভাবে খুব সাধারণ অথচ টুকিটাকি জিনিসে ভরে ওঠে বাড়ির আনাচ-কানাচ।
এমন সমস্যার সমাধান কিন্তু কঠিন নয়। কোন জিনিসটি ফেলে দেবেন, কোনটি নয়, তা অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না। তবে খুব বেশি না ভেবে ৫ জিনিস নিয়ম করে ফেলে দিলে ঘর পরিষ্কার সহজ হবে।
বাক্স: অনেকেই আজকাল জিনিসপত্র অনলাইনে কেনেন। সামান্য একটা লিপস্টিকের সঙ্গেও বিরাট বাক্স আসে। আবার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের বাক্স তো থাকেই। অনেকেই ভাবেন এই বাক্সগুলি পরে কাজে লাগবে। কাউকে উপহার দিতেও তা ব্যবহার করা যাবে। সেই ভাবনা থেকেই বাড়ি বোঝাই হয়ে ওঠে বাক্সে। টিভি, এসি, ফ্রিজ খারাপ হলে ‘ওয়ারেন্টি’ হিসাবে কাজে লাগবে ভেবে বাক্স রেখে দেন অনেকে। জিনিসের বিস্তারিত তথ্য, তারিখ দেওয়া স্টিকারটির ছবি তুলে বাক্স ফেলে দিন। নানা মাপের বাক্স যেমন জায়গা নষ্ট করে তেমনই ঝুল, নোংরা হয়।
মেয়াদ-উত্তীর্ণ খাবার: ইদানীং প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার চল বেড়েছে। বহু বাড়িতেই ফ্রিজ থেকে হেঁশেল নজর বোলালে এমন মেয়াদ-উত্তীর্ণ বাক্স, কৌটো, প্যাকেট মিলবে। দেখেশুনে এগুলি ফেলে দিন। জায়গা বাঁচবে। অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দিলে হেঁশেল পরিষ্কারের ঝক্কিও কমবে।
প্লাস্টিকের কৌটো, বোতল: বাজার থেকে জল কিনে বা কার্বোনেটেড পানীয় খেয়ে বোতল জমিয়ে রাখেন অনেকে। রেস্তরাঁ থেকে খাবার দেওয়ার জন্য যে প্লাস্টিকের কৌটো দেওয়া হয়, সেগুলিও অনেকে জমিয়ে রাখেন। এগুলির মায়া না বাড়িয়ে ব্যবহারের পরেই ফেলে দিন।
কুপন, টিকিট, কার্ড: অনুষ্ঠানবাড়ির নিমন্ত্রণের কার্ড, বিল, পুরনো টিকিট, কুপন জমিয়ে রাখবেন না। কাজ হয়ে গেলেই সেগুলি ফেলে দিন। এগুলি দেরাজ থেকে আলমারির তাকের জায়গা নষ্ট করে।
পুরনো মেকআপ, লিপস্টিক: পুরনো লিপস্টিক, শুকিয়ে যাওয়া নেলপলিশ, মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনী, রংচটা গয়নাও অনাবশ্যক ভরিয়ে রাখে ঘর। এগুলি না ফেললে, নতুন জিনিস রাখবেন কোথায়! নিয়ম করে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন।