‘স্ক্র্যাম্বলড এগ’ নরম রাখতে কোন পন্থা অনুসরণ করবেন? ছবি: শাটারস্টক।
দেখলে মনে হবে, ডিম যেন ঘেঁটে দেওয়া হয়েছে। মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে। থাকতে হবে ভুরভুরে মাখনের গন্ধ। বিদেশি ‘স্ক্র্যাম্বলড এগ’ এই দেশে বিপুল ভাবে চেনা না হলেও, ভোজন রসিকদের অনেকেই পছন্দ করেন খাবারটি।
‘স্ক্র্যাম্বলড এগ’ দেখে কেউ বলতেই পারেন, এ তো আমাদের ডিমের ভুজিয়া বা ডিমের ঝুরোর মতো। আদতে তা কিন্তু নয়। বরং এই খাবারের স্বাদ নির্ভর করে তার রন্ধনের পদ্ধতির উপর। নিখুঁত ভাবে ‘স্ক্র্যাম্বলড এগ’ বানানো খুব সহজ নয়, তার জন্য দরকার ধৈর্য, অভ্যাস করা প্রয়োজন, ডিমটি ফেটানোর সঠিক কায়দা। বাড়িতেই তা বানাতে হলে কোন পন্থাগুলি মানতে হবে।
মাখন: স্বাদের সঙ্গে আপস করতে না চাইলে মাখনে কার্পণ্য করা চলবে না। প্যানে মাখন দেওয়ার সময় তাপমাত্রা খুব বেশি বা কম কোনওটাই হলে চলবে না। মাখন গলার সঙ্গে সঙ্গে ফেটিয়ে দিতে হবে ডিম।
ডিম ফেটানো: ফোলা, নরম ভাব আনতে চাইলে ডিমের কুসুম এবং সাদা অংশ আলাদা ভাবে খুব ভাল করে ফেটাতে হবে। তা সম্ভব না হলে ডিম খুব ভাল করে ফেটিয়ে নিন।
মশলা: ডিম দিয়ে তার উপর নুন ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে মশলা জুড়তে চাইলে গলে যাওয়া মাখনে স্মোকড পেপরিকা পাউডার, চিলি ফ্লেক্স দিতে পারেন। মাখনের মধ্যে এটি দিলে, ভাল গন্ধ ভাল বার হবে।
ঘাঁটতে হবে সাবধানে: ফেটানো ডিম দেওয়ার পরে আঁচ কমিয়ে অন্তত ২ মিনিট অপেক্ষা করুন। তার পরে খুন্তি দিয়ে আলতো করে ডিমের নরম অংশগুলি অল্প করে ঘেঁটে দিন। এলোমেলো করে ঘাঁটলে হবে না। বরং ধীরে একটি একটি করে অংশ বরাবর সেটি ঘাঁটতে থাকুন।
শক্ত হওয়ার আগেই আঁচ বন্ধ করুন: ডিম ঘেঁটে দেওয়ার পর কুসুমের হালকা তরল ভাব থাকাকালীনই আঁচ বন্ধ করতে হবে। কড়াইয়ের তাপেও ডিম কিছুটা রান্না হয়ে যায়। শুরুতেই বেশি শুকনো করে ফেললে, খাওয়ার সময় সেটি শক্ত বোধ হতে পারে। ক্রিমের মতো ভাবটিও থাকবে না।
পরিবেশন: স্ক্র্যাম্বলড এগ পরিবেশন করুন ফেটা চিজ় সহযোগে। যোগ করতে পারেন সামান্য মাখন এবং গোলমরিচের গুঁড়োও।