Criticism in Marriage

অক্ষয়ের সমালোচক তাঁর স্ত্রী, সম্পর্কে সমর্থন না ভুল ধরিয়ে দেওয়া, কোনটি বেশি জরুরি?

অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সবচেয়ে বড় সমালোচক টুইঙ্কল খন্না। দাম্পত্যে সমালোচনা না প্রশংসা কোনটি বেশি জরুরি?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৩
অক্ষয় খন্নার কাজের সমালোচক তাঁর স্ত্রী। এমন অভ্যাস কি দাম্পত্যে চিড় ধরাতে পারে?

অক্ষয় খন্নার কাজের সমালোচক তাঁর স্ত্রী। এমন অভ্যাস কি দাম্পত্যে চিড় ধরাতে পারে? ছবি:সংগৃহীত।

কাছের মানুষের থেকে পাওয়া প্রশংসা যেমন এগিয়ে চলার উৎসাহ দেয়, তেমনই সমালোচনায়ও মন ভেঙে যায়। প্রিয় মানুষটি যদি কোনও কাজ খারাপ বলেন, তখন হতাশাও আসে। কিন্তু তাই বলে কি, সঙ্গী শুধুই ভালটা বলবেন, খারাপটা নয়?

Advertisement

অক্ষয় কুমারের জীবন কিন্তু তা বলে না। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমারের সিনেমা ‘ওয়েলকাম ট্যু দ্য জঙ্গল’। ছবিটির প্রোমোশনের সময়ে একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতাকে প্রশ্ন করা হয় তাঁর সবচেয়ে বড় সমালোচক কে? অক্ষয় বলেন, তাঁর স্ত্রী টুইঙ্কল খন্না। তিনি নিজেও অভিনেত্রী। অক্ষয় মজা করে বলেন, তাঁর স্ত্রী শুধু সমালোচনা করেন না, এই ব্যাপারে তিনি রীতিমতো নির্মমও। তবে অক্ষয় মেনেছেন স্ত্রী শুধু খারাপটাই বলেন না, ভাল কাজের প্রশংসাও করেন। সেটা তাঁর কাছে বড় প্রাপ্তিও। টুইঙ্কলের মতামত খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অক্ষয়। কাজ নিয়ে সততার সঙ্গে মন্তব্য করেন বলেই স্ত্রীর কথার দামও দেন অভিনেতা।

অক্ষয় এ ব্যাপারে একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ‘‘একবার একটি ছবির ডাবিংয়ের কাজ চলছিল। সেই সময়ে আমাকে ছবিটির ট্রেলারের প্রশংসা করে মেসেজ করেছিল টুইঙ্কল। আমি আনন্দের চোটে ব্যাপারটা ছবির পরিচালক প্রিয়দর্শনকেও জানাই।’’

সমালোচনা না প্রশংসা কোনটা বেশি জরুরি?

সুস্থ সম্পর্ক মানে এই নয় যে সত্যি কথা কিংবা সমালোচনা থাকবে না। বরং মনে রাখা দরকার, এই মন্তব্যের নেপথ্যে টেক্কা নয়, রয়েছে ভালবাসা। সত্যিটা দেখিয়ে দিয়ে, একে অন্যের ভুলত্রুটি শুধরে দিয়ে পরস্পরকে এগিয়ে দেওয়াটা খুব জরুরি। এমনটাই মনে করছেন দিল্লির মনোবিদ অতুল রাজ।

মনোবিদের কথায়, ‘‘আমরা অনেক সময়ে বন্ধুবান্ধব, সমাজমাধ্যমের কাছ থেকে প্রশংসা, কাজের সমর্থন খুঁজি। কিন্তু যে মানুষটি খুব কাছের, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ জানেন, দুর্বলতাটুকুও বোঝেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশংসা পাওয়ার আলাদা গুরুত্ব রয়েছে সবসময়েই।’’

সম্পর্ক মানেই যা প্রশংসার যোগ্য নয় সেটি বাড়িয়ে বলতে হবে, এমন নয়। বরং সত্যি কথাটা সুন্দর ভাবে বলাটাও জরুরি হয়ে যায়। কারণ, সেই সমালোচনা অনেক সময়ে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে।

আবার সম্পর্কে মনের কথা বলাটাও জরুরি। প্রশংসাসূচক বাক্যে প্রকাশ পায়, একজনের কাজ মন দিয়ে খেয়াল করছেন অন্য জন। তা ছাড়া, সম্পর্কে থাকতে থাকতে অনেক সময়েই মনে হয়, ভালবাসা থাকলে আলাদা করে এগুলি বলার দরকার নেই। কিন্তু মনোবিদ মনে করাচ্ছেন, কখনও কখনও অভিব্যক্তি প্রকাশের প্রয়োজন থাকে। সঙ্গী যখন বোঝেন তাঁর লড়াইয়ে পাশের মানুষটিও সঙ্গে আছেন, পরিশ্রমের মূল্য দিচ্ছেন, তখন আবেগজনিত নিরাপত্তা তৈরি হয়। যেখান থেকে সম্পর্ক আরও পোক্ত হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন