কেমন পিৎজ়া পছন্দ করেন মেসি? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
নিজের অর্ধেক বয়সি ফুটবলারদের টেক্কা দিচ্ছেন লিয়োনেল মেসি। কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হালান্ড, ভিনিসিয়াস জুনিয়রদের টপকে এখনও চলতি বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের মালিক তিনি। ৩৮ বছরের ফুটবল তারকার ফিটনেস এখনও তুঙ্গে বলেই মত তাঁর ভক্তদের। কারণ, শারীরচর্চা থেকে শুরু করে ডায়েট, সবেতেই নিজেকে কড়া শৃঙ্খলে বেঁধে রাখেন মেসি। ফিটনেস নিয়ে এত কড়াকড়ি, তবুও নিজের পছন্দের খাবার পিৎজ়া থাকে মেসির ডায়েটে! রোজ নয়, তবে মাঝে মাঝে একটু অনিয়ম মেসিও করেন।
পিৎজ়াপ্রেমীরা কিন্তু পিৎজ়া নিয়ে বেশ খুঁতখুঁতে হন। পিৎজ়া অর্ডার করার সময়ে কেমন ক্রাস্ট, কতটা পেপারোনি, কোন চিজ় দিতে হবে, সেটা আগেভাগেই জানিয়ে রাখেন তাঁরা। মেসির ক্ষেত্রেও বিষয়টি তেমনই, তবে তাঁর পছন্দের পিৎজ়াটি বেশ অদ্ভুত। ইন্টারনেটে এখন মেসির অর্ডার করা ছবি ভাইরাল। ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি পুরনো ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মেসি মায়ামি বিচের কাছে অবস্থিত আর্জেন্টাইন রেস্তোরাঁ ‘বাঞ্চেরো মায়ামি’ থেকে অর্ডার করা তাঁর পছন্দের পিৎজ়ার একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন। সেই ছবিতে মেসির পিৎজ়া দেখে রেগেও গিয়েছিলেন অনেক পিৎজ়াপ্রেমী। অনেক এই পিৎজ়াকে ‘গরিবের পিৎজ়া’র সঙ্গেও তুলনা করেছেন। ভাবছেন তো, এমন কী ছিল সেই পিৎজ়ায়।
মেসির পছন্দের পিৎজ়া। ছবি: সংগৃহীত।
পিৎজ়ার ক্রাস্টটি ছিল বেশ পুরু এবং মুচমুচে ধরনের। তার উপর সাজানো ছিল প্রচুর টম্যাটোর টুকরো! হ্যাঁ, পিৎজ়া সস্ নয়, টম্যাটোর আস্ত টুকরো! তার উপরে ছড়ানো ছিল ঠিক চারটি কাঁচা পেঁয়াজের রিং আর কয়েকটি সবুজ অলিভ। ব্যস, এটুকুই। আর পিৎজ়া মানেই যে তাতে চিজ় থাকবে—এমনটা যদি ভেবে থাকেন, তবে ভুল ভাবছেন। কারণ মেসির সেই পিৎজ়ায় চিজের ছিটেফোঁটাও ছিল না।
আর্জেন্টাইন পাই, এমপানাদা(মাংসের পুর ভরা গুজিয়া) এবং পিৎজ়ার জন্য মায়ামির ‘বাঞ্চেরো’ রেস্তরাঁটি বেশ জনপ্রিয়। এই রেস্তরাঁয় গ্রাহকের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েই পিৎজ়া বানানো হয়। ঠিক যেমন মেসির পিৎজ়ায় সোডিয়াম ও ট্রান্স ফ্যাট কোনওটাই রাখা হয়নি। এই কারণেই হয়তো পিৎজ়া খেয়েও এতটা ফিট থাকেন মেসি!