Alkaline Water Benefits

বিরাটের পছন্দ অ্যালকালাইন ওয়াটার! ইচ্ছে করলে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর পানীয়টি

ক্রিকেটার বিরাট কোহলি থেকে অভিনেত্রী মলাইকা অরোরা, সবাই এখন সাধারণ জল ছেড়ে অ্যালকালাইন জলে চুমুক দিচ্ছেন। অ্যালকালাইন জল কিনতে দোকানে ছোটার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন অ্যালকালাইন ওয়াটার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ২১:০৮
চড়া দাম দিয়ে কিনতে হবে না, বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন অ্যালকালাইন ওয়াটার।

চড়া দাম দিয়ে কিনতে হবে না, বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন অ্যালকালাইন ওয়াটার। ছবি: সংগৃহীত।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা বেড়েছে। তাই দৈনন্দিন ডায়েট থেকে শুরু করে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যকর বিকল্পের সন্ধানে রয়েছেন অনেকেই। সেখানে চর্চায় চলে এসেছে ‘অ্যালকালাইন ওয়াটার’। ক্রিকেটার বিরাট কোহলি থেকে অভিনেত্রী মলাইকা অরোরা, সবাই এখন সাধারণ জল ছেড়ে অ্যালকালাইন জলে চুমুক দিচ্ছেন।

Advertisement

সাধারণ জলের থেকে কোথায় আলাদা?

জলে কতটা ক্ষার রয়েছে তা পরিমাপ করা হয় ‘পিএইচ’ স্কেলের সাহায্যে (০ থেকে ১৪)। সেখানে ৭কে সাধারণ ধরা হয়। অর্থাৎ, বাড়িতে জলের ফিল্টার থেকে যে পানীয় জল তৈরি হয়। অ্যালকালাইন জলের মধ্যে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান প্রবেশ করানো হয়। তাই এই জলের ক্ষারের পরিমাণও একটু বাড়ে। সাধারণত এই ধরনের জলের পিএইচ মাত্রা ৮ থেকে ৯.৫ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

কতটা উপকারী?

এই ধরনের জলে একাধিক খনিজ উপাদান থাকে বলে তা শরীরকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটি দূর করে খাবার হজম করতে সাহায্য করে অ্যালকালাইন ওয়াটার। বলা হয়, অ্যালকালাইন ওয়াটারের মধ্যে ‘অ্যান্টি এজিং’ গুণ রয়েছে। তাই নিয়মিত এই জল পান করলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়। ক্রীড়াবিদ বা ফিটনেস সচেতন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে শরীরচর্চার পরে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা দূর করতে পারে অ্যালকালাইন ওয়াটার।

তবে অ্যালকালাইন জল কিনতে দোকানে ছোটার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন অ্যালকালাইন ওয়াটার। অ্যালকালাইন ওয়াটারের খুব ভাল উৎস ডাবের জল। তাই কোনও ক্রনিক সমস্যা না থাকলে রোজ ডাবের জল খাওয়াই যায়। এ ছাড়াও কী ভাবে বানাবেন অ্যালকালাইন ওয়াটার, রইল হদিস।

১) তরমুজ-পুদিনার পানীয়: এক লিটার জলে দু’ কাপ কুচোনো তরমুজ মিশিয়ে দিন। এর সঙ্গে মেশাতে হবে এক মুঠো পুদিনা। এই পানীয় বানানোর পর দু’ ঘণ্টা রেখে তার পর খেতে হবে। তরমুজে অ্যালকালাইন খনিজ থাকে। এর পাশাপাশি লাইকোপিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। এই পানীয় শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। পুদিনা মানসিক চাপজনিত অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করে, শরীর ঠান্ডা রাখে।

২) শসা-ধনেপাতার পানীয়: এক লিটার জলে শসাকুচি আর ১ মুঠো ধনেপাতাকুচি মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন। তার পর সারা দিন অল্প অল্প করে এই পানীয়ে চুমুক দিন। শসা কিডনির জন্য ভাল, শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে যা শরীরের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৩) আনারস-পুদিনার পানীয়: এক লিটার জলে দু’ কাপ কুচোনো আনারস মিশিয়ে দিন। এর সঙ্গে মেশাতে হবে এক মুঠো পুদিনা। আনারসে ব্রোমিলিন নামক যৌগ থাকে, যা হজমে সহায়ক। শরীরের প্রদাহ কমাতেও এই পানীয় বেশ উপকারী। পুদিনা শরীরে জমে থাকা টক্সিন বার করে দিতে সাহায্য করে।

Advertisement
আরও পড়ুন