ধারাবাহিক উপন্যাস পর্ব ১
Bengali Literature

দেখা হবে

বিপুল দাস
শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ১০:৪৭
ছবি: কুনাল বর্মণ।

ছবি: কুনাল বর্মণ।

কালচে-খয়েরি চকচকে খোলসের উপর আলো পড়ে পিছলে যাচ্ছিল। খুব ছোট ছোট সাদা ফুটকির ডিজ়াইন রয়েছে ওর শরীরে। লম্বালম্বি নয়, ডিজ়াইনটা আড়াআড়ি। যেন ছোট ছোট সাদা পুঁতির মালা ওর শরীরে গোল গোল করে পরানো। সাপটা যতক্ষণ স্থির হয়ে ঝোপের নীচে ছায়ায় কুণ্ডলী পাকিয়ে ছিল, মন্টু দেখতে পায়নি। এখন পাক খুলে একটু একটু করে এগোচ্ছে। দৃশ্যটা স্থির নয়, বস্তুটা নড়াচড়া করছে বলেই মন্টুর চোখ সেখানে পড়েছে। প্রথমেই মাথা থেকে একটা নির্দেশ আসে পায়ের পেশিতে। ‘পালা, নইলে মরণ।’ বাইরের দুনিয়ার সমস্ত দৃশ্য, শব্দ, গন্ধ, স্বাদ, স্পর্শ পাঁচটা জানালা দিয়ে মাথায় পৌঁছয়। মাথা বলে দেয় কোনটা পাখির ডাক, কোনটা রামধনু, কোনটা মশার কামড়। হাতের পেশিতে নির্দেশ আসে। ‘মারো মশাটাকে।’ সামনে বিপদ দেখলে পায়ের পেশিতে খবর আসে— ‘পালাও, বিপদ।’

লাইফ সায়েন্সের টিচার মনোতোষ লাহিড়ীর এ সব জানা। অথচ, চিরকালই সাপ দেখলে মন্টু কেমন যেন পাথর হয়ে যায়। দেখতে দেখতে কেমন যেন ঘোর লেগে যায়। সবাই দৌড়ে পালিয়ে যায়, মন্টু একা বোকার মতো দাঁড়িয়ে থাকে। তার নাকি নকশাদার ওই শরীরের এঁকেবেঁকে যাওয়া দেখতে ভাল লাগে। কেমন যেন ঝিম ধরে যায়, নেশা-নেশা লাগে। কখনও মনে হয় এখনই ঘুমিয়ে পড়বে। তার পর যা হয় হোক, কামড়ালে কামড়াক। ওই ভয়ঙ্কর সুন্দর দৃশ্য ছেড়ে সে কিছুতেই নড়তে পারে না। স্কুলের কমনরুমে এক দিন সাপের প্রসঙ্গ উঠলে সে এ কথা বলেছিল। হিস্ট্রির সুবীর সরকার অনেক ক্ষণ তার মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে বলেছিল, “আপনার কিছু প্রবলেম আছে মশাই। সাপ দেখলে ভয়ে পালিয়ে না এসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার বিউটি দেখেন! পিকিউলিয়ার!”

মনোতোষ নিজেও জানে, ব্যাপারটা স্বাভাবিক নয়। সাপ দেখে সবার মতো ভয় পেয়ে পালিয়ে আসাই স্বাভাবিক। কিন্তু সে ওই দৃশ্যের কাছে বন্দি হয়ে পড়ে। নড়তে চড়তে পারে না। পিকিউলিয়ার তো বটেই। ব্যাপারটা নিয়ে সে নিজেও ভেবেছে। সত্যিই কি তার ভয়ডর কম! তা তো নয়। মৃত্যুভয় তার যথেষ্ট। খুব জোরে বাজ পড়লে এখনও ছেলেবেলার মতো ইচ্ছে করে লেপমুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়তে। লেভেল ক্রসিং-এর তলা দিয়ে সবাই সাইকেল, স্কুটার, বাইক নিয়ে পার হয়ে যায়। সে ট্রেন চলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে। জলে তার বরাবরের ভয়। পুরীর সমুদ্রে নেমে গোড়ালি-ডোবা জল পর্যন্ত পৌঁছেই বালির উপর থপ করে বসে পড়েছিল। সবাই ধরে টানাটানি করলে সে আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেছিল। ওই অনন্ত বিস্তার আর সাদা ফেনা নিয়ে গড়িয়ে-আসা ঢেউ দেখে তার বুক কেঁপে ওঠে। যতটুকু সাঁতার সে জানে, তাতে লাভ হবে না। বিপুল বিস্তারের টানে এক বার বুকজলে গিয়ে পড়লে আর ফিরতে পারবে না।

আর সেই ক্লাস ইলেভেনে আশ্বিনের ভরা নদীতে মরতে মরতে বেঁচে যাওয়া! সে কথা মনে পড়লে এখনও শরীরে ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে। নাঃ, এই তো দিব্যি বেঁচে আছে সে। লোকজন দেখতে পাচ্ছে, তাদের কথা শুনতে পাচ্ছে, গরম টের পাচ্ছে, বাথরুম থেকে অ্যামোনিয়ার তীব্র গন্ধ পরিষ্কার নাকে আসছে। সেদিন সে মরেনি। তবে মরে যাওয়ার, দুরন্ত গেরুয়া ঘূর্ণিতে দক্ষিণে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল শতকরা নিরানব্বই ভাগ। তার বদলে ভেসে গিয়েছিল ক্লাস সেভেনের তীর্থ। সেই স্মৃতি এখনও তাকে তাড়া করে বেড়ায়। বুকের ভিতরে হঠাৎ ঠান্ডা ধাতব কিছুর স্পর্শ টের পায় মন্টু।

মন্টু আজ জীবনে প্রথম নিজের হাতে মাছ ধরেছে। ছোট্ট একটা পুঁটিমাছ। পাশ থেকে শিবুকাকা মুচকি হেসে বলেছে, “আত্মহত্যাপ্রবণ মাছ। ওটা আজ যে ভাবেই হোক, মরতই। মাঝখান থেকে তুই পাপের ভাগী হলি।”

“আচ্ছা, আর কী ভাবে ওটা সুইসাইড করত বলে তোমার মনে হয়? মেট্রোর থার্ড লাইন, পেস্টিসাইড, নাকি গলায় দড়ি? বলো যে, এখনও একটাও মাছ তোমার কাছে ঘেঁষেনি, তাই প্রেস্টিজে লেগেছে। রোজ তো বাড়ি ফিরে পাঁচ কিলো-দশ কিলোর গল্প শোনাও। নাকি সুতো ছিঁড়ে পালিয়ে গেছে। ফেরার পথে কমলের দোকান থেকে একটা ছোট সাইজ়ের কাতলা নিয়ে বাড়ি ফেরো। তার পর রাতে কাকিকে গল্প শোনাও কেমন করে অনেক ক্ষণ ধরে খেলিয়ে ডাঙায় তুলেছ। কে জানে কাকে খেলাও, কাকে ডাঙায় তোলো!”

“মন্টু, তুই বয়সে আমার সমান হতে পারিস। কিন্তু মনে রাখিস, দূরসম্পর্কে তুই আমার ভাইপো। প্রিয়তোষদাকে আমি নিজের দাদার মতোই দেখতাম। সম্মান দিয়ে কথা বলবি। মাছ ধরার তুই কী জানিস! কোন মাছের জন্য কোন চার, কাঁটার থুপি, টোপ নরম থাকবে, কিন্তু জলে গলে যাবে না, ফাতনার টিপ দেখে মাছ চিনতে পারা, হুইল ঘোরার শব্দ আর টান বুঝে মাছের ওজন আন্দাজ করা— এসব জানতে হয়। তোর মতো আনাড়ি তার কী বুঝবে। শিশুটাকে কষ্ট দিস না, জলে ছেড়ে দে।”

“ওসব বোঝার জন্য বুঝি কোনও নোটবই আছে? কোন প্রকাশনী?”

“আছেই তো। এটাও একটা শাস্ত্র। প্রাচীনকালের মুনিঋষিরাও তপোবনের দিঘিতে মাছ ধরে অতিথি আপ্যায়ন করতেন। সে সব লেখা আছে মৎস্যপুরাণ কাব্যে। নাম শুনেছিস কোনও দিন? দশাবতারের নাম জানিস? মৎস্য হচ্ছেন প্রথম অবতার। অত হেলাছেদ্দা করিস না।”

“দেখো শিবুকাকা, আমি কিন্তু লাইফ সায়েন্সের টিচার। এ বার তুমি বলো তো দেখি, রুইমাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?”

“ধুস! ওসব জেনে কী হবে। স্বাদ পাল্টে যাবে নাকি! বাদ দে, তোর বঁড়শির প্রাণীটিকে ছেড়ে দে।”

মাছটার মুখ থেকে কাঁটা খুলতে গিয়েই মন্টু বুঝল, মরে গেছে মাছটা। হঠাৎ বুকের ভিতরে একটা কষ্ট টের পেল মন্টু। একটা প্রাণ তো! তার জন্যই মাছটা মরেছে। কথায় বলে, পুঁটিমাছের প্রাণ। এই আছে, এই নেই। ছোট হোক, বড় হোক, খাওয়ার লোভ দেখিয়ে ওদের বঁড়শির কাছে টেনে আনে মানুষ। তার পর হ্যাঁচকা টানে পাড়ে তুলে আনে। বড় মাছ হলে প্রাণপণে চেষ্টা করে মুখ থেকে কাঁটা ছাড়িয়ে আবার গভীর জলে নিরাপদ জায়গায় ফিরে যেতে। জলের বাইরে মাছ বড় অসহায়। জলের ভিতর থেকে সে পৃথিবীকে এক রকম দেখে। পাড়ের মানুষজন, গাছপালা। জলের বাইরের পৃথিবী তার অচেনা। খাবি খেতে থাকে। পরিচিত লতাগুল্মের প্রায়ান্ধকার জগৎ আর খুঁজে পায় না। ওদের কি ব্যথাবোধ নেই?

এই পুঁটিমাছের কথা সারা জীবন ঘুরেফিরে তার মনে পড়েছে। যখনই মনে পড়েছে, সে বিষাদমগ্ন হয়ে পড়েছে। তীব্র পাপবোধে আক্রান্ত হয়েছে।

মরা মাছটা জলে ছুড়ে ফেলল মন্টু। জলের গভীর ওকে টেনে নিল না। ভেসে রইল পুঁটিমাছ। বেশ কিছু ক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে রইল মন্টু। খুব আস্তে আস্তে একটা কচুরিপানার ঝোপ এসে মরা মাছটাকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ের দিকে চলে গেল। শিবুকাকা একটু দূরে হুইল ফেলেছে। তার পর ফাতনার দিকে তাকিয়ে ধ্যানমগ্ন হয়ে বসে আছে। এখন ঝড়, বৃষ্টি, ভূমিকম্প— কিছুতেই তার ধ্যান ভাঙবে না। নন্দার কাছে গল্প শুনেছে মন্টু, সারা দিন কড়া রোদে দাঁড়িয়ে সন্ধেবেলায় বাড়ি ফেরার পর যখন জামা-গেঞ্জি খুলেছে, রোদ-লাগা জায়গাটাটুকু যেন পোড়া চামড়া। ঢাকা জায়গাটায় গেঞ্জির ছাপ পড়েছে, সেটুকু জায়গায় গায়ের স্বাভাবিক রং বোঝা যায়। বাকি জায়গা কালচে হয়ে গেছে। হঠাৎ দেখলে মনে হয়, এখনও একটা হালকা কালচে স্যান্ডো গেঞ্জি গায়ে রয়েছে।

শিবুকাকার সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই মন্টু নন্দাকে চিনত। কলেজে অনেক বার দেখেছে। বাংলায় অনার্স ছিল নন্দার। মন্টু বায়োসায়েন্স। কলেজের যে কোনও প্রোগ্রামেই নন্দা আবৃত্তি করত। আর শঙ্খ ঘোষ, বীরেন চট্টোপাধ্যায় ছাড়া রবীন্দ্রনাথের ‘দেবতার গ্রাস’ ছিল বাঁধা। শেষের দিকে এসে খুব খেলিয়ে বলত— ‘মাসী মাসী মাসী, বিন্ধিল বহ্নির শলা রুদ্ধকর্ণে আসি নিরুপায় অনাথের অন্তিমের ডাক’। খুব হাততালি পেত। কিন্তু চার-পাঁচ বার একই কবিতা আবৃত্তি করার জন্য বা হাততালি পাচ্ছে দেখেও হতে পারে— নন্দাকে দেখলেই থার্ড ইয়ার সায়েন্সের কিছু ছেলে ‘মাসি’ বলে ডাকতে আরম্ভ করেছিল। এই সম্বোধন খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। কলেজ-ভর্তি বোনপোদের নিয়ে নন্দা সমস্যায় পড়ে যায়, তার সাংস্কৃতিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যায়।

শিবুর সঙ্গে মনোতোষের সম্পর্কটা অদ্ভুত। শিবুর বাবা রামপ্রিয় সান্যালকে সে ডাক্তারজেঠু বলে ডাকে। জেঠুর ছেলে, সেই হিসেবে শিবুকে তার দাদা ডাকা উচিত। আবার তার বাবা প্রিয়তোষ লাহিড়িকে শিবু ডাকে প্রিয়দা বলে। বাবার ছোটভাই, তা হলে শিবুকে কাকা বলে ডাকাই উচিত। শেষমেশ শিবুকাকাই দাঁড়িয়ে গেল।

মেয়ের ছবি দেখেই নন্দাকে চিনতে পেরেছিল মন্টু। খুব উৎসাহ দেখিয়েছিল এ বিয়েতে। বিয়ের পরও কাকিমার সঙ্গে তুইতোকারি চালিয়ে গেছে। কারও কানে অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়নি। যথেষ্ট ঠাট্টা-ইয়ার্কি মেরেছে। শিবুকাকার বড় মাছ ধরার গল্প নিয়ে হাসাহাসি হয়েছে। এমনকি একটু-আধটু আমিষ-ঘেঁষা রসিকতাও করেছে। একটা কথা বলি-বলি করেও আজ পর্যন্ত বলে উঠতে পারল না। নন্দা বা শিবুকাকা, কারও কাছেই কথাটা তুলতে পারেনি। ওদের সাত বছরের বিবাহিত জীবন, এত দিনে একটা ইস্যু হওয়া উচিত ছিল। প্রথম দু’-তিন বছর অনেকেই চায় না। কিন্তু সাত বছর হয়ে গেলে সবার ভুরু কুঁচকে ওঠে। কে জানে কার দোষ! পাবলিক মনে মনে নিজেদের সিদ্ধান্তে আসে। প্রতিবেশী এবং শুভার্থী আত্মীয়স্বজন তাদের পরিচিত ডাক্তারের অবিশ্বাস্য সাফল্য এবং দোমোহনির ফকিরের কেরামতির কথা শোনায়। বলে যে, ডাক্তারবাবু জবাব দিয়ে দিলে ফকির তার কেরামতি দেখায়।

এক বার অবশ্য মন্টু কথায় কথায় বলে ফেলেছিল। সেদিন এ বাড়িতে দোলপূর্ণিমার পুজোয় তার নিমন্ত্রণ ছিল। সকাল থেকে নাটমন্দিরে কীর্তন হচ্ছিল। বেরিয়েছিল প্রভাতফেরিও। দুপুরে খিচুড়ি, পায়েসের গন্ধ ভাসছিল বাতাসে। তার সঙ্গে মিশে ছিল আবিরের গন্ধ। লোকজনের মাঝে ব্যস্ত নন্দাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল মন্টু। এ বাড়ির অলিগলি তার চেনা। ছোটবেলা এখানেই কেটেছে। উচ্চ মাধ্যমিকের পর পলাশগুড়ির এ বাড়ি ছেড়ে শিলিগুড়ির নতুন বাড়িতে উঠে গেছে ওরা। এ বাড়ির প্রতিটি দেওয়ালের প্রতিটি চিহ্ন তার চেনা।

ওকে দেখতে পেয়ে মন্টু জিজ্ঞেস করেছিল, “নন্দা, তুই এখানে একা বসে আছিস? নাটমন্দিরে গিয়ে একটু ঠাকুরের নাম তো শুনতে পারিস। কী হয়েছে তোর? মুখটা কেমন আউলে আছে!”

“আউলে আছে মানে?”

“আরে, আজকাল এরকমই চলছে। আপলোডালাম, ক্লাস বাঙ্কালাম— এ রকম। আউলে মানে আউলের মতো করে আছিস। আরে, পেঁচার মতো। শিবুকাকা কোথায় রে?সারা বাড়িতে কোথাও দেখলাম না। এ দিকে তুইও বসিয়া বিজনে...”

মাথা নিচু করে নন্দা বসে রইল। কে জানে, বরের সঙ্গে ঝগড়া-ফগড়া করেছে কি না। পকেটে আবির নিয়ে এসেছিল, নন্দাকে রং দেবে কি না, বুঝতে পারল না। নন্দা বরাবরের আমুদে মেয়ে। আজ এ বাড়িতে উৎসব। অথচ নন্দা ঘরের কোণে মুখ ভার করে বসে আছে।

“হলা পিয় সহি, আজ দোলপূর্ণিমার রোম্যান্টিক রাতে তুই একা? বাইরে গিয়ে আকাশের দিকে তাকা, অসম্ভব একটা চাঁদ উঠেছে। আহা কাকি, তুই কেন আমার মামি হলি না! নতুন করে বৈষ্ণব পদাবলি লেখা হত! তোর বরকে আমি ম্যানেজ করে নিতাম। কোথায় রে, সে কোথায়?”

“হলে দগ্ধানন মর্কট, আরশিতে নিজের বদন দেখেছিস কখনও? কেষ্ট সেজে লীলা করার শখ।”

“খুব সুন্দরী ভাবিস নিজেকে, না? হ্যাঃ, নাকের উপর দিয়ে তো বুলডোজ়ার চলে গেছে। তোকে বোধহয় লাভা-লোলেগাঁও কি ভুটানের থিম্পুতে কুড়িয়ে পেয়েছিল তোর বাবা-মা। তা সে কোথায়?”

“সে বিরাজপুরে গেছে।” বলল নন্দা।

ক্রমশ

আরও পড়ুন