বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় থাক ঝাল ঝাল শুকনো মাংস। ছবি:সংগৃহীত।
বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় মন চায় কিছু অন্য রকম? সেই সময়ে যদি পাওয়া যায় ঝাল মশালাদার মুরগির মাংসের স্ন্যাক্স হয়, তা হলে তো কথাই নেই। ঘরোয়া পার্টি হোক বা অতিথি আপ্যায়ণ, দক্ষিণ ভারতীয় চিকেন চুক্কা মন জিতে নেবেই।
উপকরণ
৭০০ গ্রাম মুরগির মাংস (ছোট করে কাটা)
২ টেবিল চামচ জল ঝরানো টক দই
২ টেবিল চামচ লঙ্কার গুঁড়ো
২ টেবিল চামচ কাশ্মীরি লঙ্কা
এক মুঠো কারিপাতা
২-৩টি বড় পেঁয়াজ
৮-১০ কোয়া রসুনকুচি
আধ ইঞ্চি আদাকুচি
২-৩টি শুকনোলঙ্কা
১ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
১ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো
১ চা-চামচ গরমমশলার গুঁড়ো
১ চা-চামচ গোলমরিচ
১টি টম্যাটোকুচি
১ টেবিল চামচ ঘি
৫-৬ টেবিল চামচ তেল
প্রণালী: মুরগির মাংস ধুয়ে টক দই, নুন, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো এবং তেল মাখিয়ে অন্তত এক ঘণ্টা রেখে দিন।
কড়াইয়ে তেল দিয়ে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ মুচমুচে করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ বেরেস্তা সরিয়ে রাখুন। তেলে ঘি দিন। ফোড়নে দিন শুকনোলঙ্কা, কারিপাতা, রসুনকুচি, আদাকুচি। হালকা নাড়াচাড়া করে তেলেই দিয়ে দিন লাল এবং কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, ধনে-জিরে গুঁড়ো, গরমমশলা। তার মধ্যে যোগ করুন টম্যাটো কুচি। মশলা যাতে না পুড়ে যায়, ভাল করে কষিয়ে নিন। টম্যাটো গলে গিয়ে তেল ছাড়লে দিতে হবে মাংস। আঁচ কমিয়ে কষতে হবে। কিছুটা কষিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। মশলা মাখানো মাংস থেকেই জল ছাড়বে। সেই জলেই মাংস সেদ্ধ হবে। ৯০ শতাংশ রান্না হয়ে গেলে যোগ করুন ভাজা পেঁয়াজ। আরও কিছু ক্ষণ কষিয়ে নিন।
রুটি বা ভাত দিয়ে খেতে চাইলে মাখা মাখা রাখুন। তবে স্ন্যাক্স হিসাবে খেতে হলে কাই শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত কষাতে হবে। যেহেতু কষানোর সময়ে সমস্ত মশলা মাংসে মিশবে, এটি খেতে হবে সুস্বাদু। ঝাল এবং মশলাদার যাঁরা খেতে পছন্দ করেন তাঁদের জন্য এই রান্না বেশ লোভনীয়।