কী ভাবে বানাবেন জল-বড়া বা পানি ফুলকি? ছবি: সংগৃহীত।
জিনিসটি খানিক ফুচকার মতো, তবে ফুচকা নয় মোটেই। বিকাল হোক বা সন্ধে মন যখন টক-মিষ্টি, ঝাল খাবারের যখন ছটফট করে, তখনই ভাল লাগবে এই খাবার। অবাঙালিরা একে বলেন 'পানি ফুলকি'। বাঙালিরা 'জল-বড়া' বলতেই পারেন। তবে শুধু জল নয়, মশলাদার জলে ডুবে, সেই স্বাদ টেনে নেবে স্পঞ্জের মতো বড়া। সেই বড়া মুখে দিলেই হল, মিলিয়ে যাবে নিমেষে, মনে করাবে ফুচকার কথা। ফুচকা বাড়িতে তৈরি খানিক ঝক্কির বটে, তবে এমন বড়া তৈরি বেশ সহজ।
উপকরণ
মশলা জলের জন্য
আধ লিটার জল
এক আঁটি ধনেপাতা
আধ আঁটি পুদিনাপাতা
একটি পেঁয়াজ কুচোনো
সৈন্ধব লবণ এক চা-চামচ
মশলার জন্য
২-৩টি শুকনো লঙ্কা
১ টেবিল চামচ গোটা ধনে
১ টেবিল চামচ গোটা জিরে
১ টেবিল চামচ গোটা মৌরি
৭-৮টি গোলমরিচ
১টি গন্ধরাজ লেবু
১টি পাতিলেবু
বড়ার জন্য
২৫০ গ্রাম বিউলির ডাল
সৈন্ধব লবণ
আধ চা-চামচ হিং
ভাজার জন্য সাদা তেল
প্রণালী: মশলার জন্য প্রথমে শুকনো লঙ্কা, মৌরি, ধনে, জিরে, গোলমরিচ শুকনো খোলায় নেড়ে গুঁড়িয়ে রাখুন।
বিউলির ডাল অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। জল ঝরিয়ে সেটি খুব ভাল করে বেটে নিন। যোগ করুন হিং, সৈন্ধব লবণ। মিশ্রণটি হবে ঘন, বাতাসে পূর্ণ। বড়া ভাজার আগে বানিয়ে নিন জল বড়ার জল। এ জন্য মিক্সারে ধনে, পুদিনাপাতা, কাঁচালঙ্কা বেটে নিন। মিশ্রণটির সঙ্গে আধ লিটার জল মেশান। স্বাদ মতো নুন দিন। যোগ করুন ভেজে রাখা মশলা, একটু ধনেপাতাকুচি, পেঁয়াজকুচি। গন্ধরাজ লেবুর খোসার উপরিভাগ কুরে জলে মিশিয়ে দিন। যোগ করুন একটি পাতিলেবুর রস। চাকা করে কাটা গন্ধরাজ লেবু দিয়ে বেশ কিছুটা বরফের টুকরো মিশিয়ে নিন।
বড়া ভাজার আগে হাত দিয়ে ডালের মিশ্রণ ভাল করে ফেটিয়ে নিন। ঘনত্ব এমন হবে, যাতে হাতের সাহায্যে বড়া করা যায়। তেল গরম হলে ছোট ছোট বড়া ভাজা নিন। বড়া ভাজা হলে সেটি সরাসরি মশলা জলে ফেলুন। ৫-১০ মিনিট ভিজতে দিন। তার পরে পরিবেশন করুন।