বাড়িতেই হবে মনের মতো দোসা। ছবি: সংগৃহীত।
যাঁরা দক্ষিণী খাবার পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে দোসা খুবই প্রিয়। পুষ্টিবিদেরা বলেন, সকালের জলখাবারে দোসার মতো দক্ষিণী খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর। অনেকেই বাড়িতে দোসা বানানোর চেষ্টা করেন। কড়কড়ে দোসা বানানোর জন্য নির্দিষ্ট তাওয়াও কিনে আনেন, তবে বাজারের মতো স্বাদ কিছুতেই আসে না। জেনে নিন কী কী করলে বাড়িতে বানানো দোসাও হবে রেস্তরাঁর মতো সুস্বাদু।
১) ডালের পরিমাণ বিগড়ে গেলেই দোসা মুচমুচে হবে না। বিউলির ডাল ও চাল সঠিক পরিমাণে নেওয়া না হলেই দোসার স্বাদ খারাপ হয়ে যায়। মূলত ৩ কাপ চাল হলে ডাল হবে এক কাপ। চাল-ডাল মিক্সিতে ঘুরিয়ে ঘোল তৈরির সময়ে জলটাও দিতে হবে বুঝেশুনে।
২) চাল-ডাল একসঙ্গে ভেজাবেন না। আলাদা করে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর আলাদা করেই বেটে নিন। ডাল খুব বেশি মিহি করে বাটুন আর চালটা একটু দানাদার থাকলেই ভাল। তার পর একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটিতে নুন মিশিয়ে রাখুন।
৩) গরম থাকলে সূর্যের আলো সরাসরি আসে না এমন জায়গায় অন্তত ৬ ঘণ্টা রেখে দিতে পারেন দোসার মিশ্রণ। শীতের সময় মিশ্রণটি মজতে বেশি সময় লাগে। সে ক্ষেত্রে দোসা বানানোর অন্তত ১২ থেক ১৫ ঘণ্টা মিশ্রণটি বেটে রাখতে হবে।
৪) দোসার মিশ্রণটি ফ্রিজে রাখবেন না যেন। ফ্রিজে রেখে দিলে দোসার মিশ্রণটি ভাল করে মজবে না। ফলে দোসায় দোকানের মতো টক ভাব আসবে না। ঘরের তাপমাত্রাতেই মিশ্রণটিকে মজতে দিন ভাল ভাবে।
৫) তাওয়া গরম না হলে কখনওই দোসা মুচমুচে হবে না। দোসা বানানোর সময়ে তাওয়াটি খুব ভাল করে গরম করে নিতে হবে। গরম তাওয়ায় খানিকটা ঠান্ডা জল ছিটিয়ে ভাল করে মুছে নিন। তার পর পরিমিত মিশ্রণ নিয়ে ভাল করে তাওয়ায় ছড়িয়ে নিতে হবে, খেয়াল রাখবেন যেন দোসাটি খুব পাতলা হয়।