বিশ্বকাপ হাতে জসপ্রীত বুমরাহ। ছবি: পিটিআই।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৪টি উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক হয়েছেন তিনি। সেই জসপ্রীত বুমরাহকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ছকে ফেলল ভারতীয় বোর্ড। ২০২৭ বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ অলিম্পিক্সে যাতে বুমরাহ নির্বিঘ্নে খেলতে পারেন, তার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সামনে অনেক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকলেও ২০২৭-এর অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত এই সিরিজ়ের বিশেষ গুরুত্ব নেই। এর মাঝে এশিয়ান গেমসও রয়েছে, যা হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। তবে আপাতত ভারতের ভাবনায় এক দিনের বিশ্বকাপ। সে ভাবেই তৈরি করা হবে বুমরাহকে। অর্থাৎ টি-টোয়েন্টির বদলে এক দিনের ম্যাচ বেশি করে খেলবেন তিনি। বাকিদের মতো বুমরাহও অলিম্পিক্সে খেলতে আগ্রহী। তাঁকে মাথায় রাখা হয়েছে। তবে অলিম্পিক্সের আগে পাখির চোখ পরের বছর বিশ্বকাপে চোটহীন বুমরাহকে খেলানো।
আপাতত বুমরাহ আইপিএলে খেলবেন। তার পরে বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রের প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণ, কোচ গৌতম গম্ভীর এবং দুই ফরম্যাটের অধিনায়ক শুভমন গিল একসঙ্গে বসে পরবর্তী পর্যায়ের নীলনকশা তৈরি করবেন। বুমরাহের ধকল নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে আলোচনা হবে।
একটা জিনিস পরিষ্কার, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কথা মাথায় রেখে বুমরাহকে লাল বলের ক্রিকেটে খেলানো হবেই। তবে সাদা বলের ক্ষেত্রে তিনি খেলবেন ফরম্যাটের গুরুত্ব বুঝে।
এ ক্ষেত্রে ফিরে যাওয়া হতে পারে ২০২৩-২০২৬ পর্বের দিকে। বিশ্বকাপ না থাকায় এই সময়ের মধ্যে একটিও এক দিনের ম্যাচ খেলেননি বুমরাহ। ২০২৩-এর ১৯ নভেম্বর, অর্থাৎ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর থেকে বুমরাহ ৪২টি ম্যাচ খেলেছেন। তার মধ্যে ২১টি টেস্ট এবং ২১টি টি-টোয়েন্টি রয়েছে। এ বার জোর দেওয়া হবে ৫০ ওভারে। তাই টি-টোয়েন্টিতে বুমরাহকে বিশ্রাম দেওয়া হবে।
বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, “যে কোনও বিশ্বপর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বুমরাহের ফিটনেস সবার আগে। তাই ভারতীয় দল পরিচালন সমিতি সে ব্যাপারে বাড়তি নজর রাখছে। টেস্টে বুমরাহ খেলবেই। তবে সাদা বলের ক্ষেত্রে ৫০ ওভারে বেশি খেলানো হবে। ৩০-৩৫টা ম্যাচ রয়েছে বিশ্বকাপের আগে। তাই ঝুঁকি নেওয়া যাবে না।”
এক দিনের ক্রিকেটে ভারতের পেস বোলিং বিভাগ খুব ভাল নয়। বুমরাহ ছাড়া মহম্মদ সিরাজ, অর্শদীপ সিংহ এবং হর্ষিত রানা (ফিট হলে) রয়েছেন।