বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র।
এখন থেকেই বৈভব সূর্যবংশীকে ভারতের সিনিয়র দলে দেখতে চাইছেন অনেকে। বিশেষ করে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সে যে ইনিংস খেলেছে তার পর চোখ বন্ধ করে বৈভবের উপর ভরসা করছেন সমর্থকেরা। কিন্তু যদি অজিত আগরকর, গৌতম গম্ভীরেরা চান, তার পরেও এখনই বৈভবকে ভারতের সিনিয়র দলে ঢোকানো যাবে না। নেপথ্যে আইসিসির এক নিয়ম।
কোনও দেশের সিনিয়র দলে ক্রিকেটারদের খেলার ক্ষেত্রে একটি ‘ন্যূনতম বয়স নীতি’ রয়েছে আইসিসির। সেখানে লেখা, অন্তত ১৫ বছর বয়স না হলে কোনও ক্রিকেটারকে সিনিয়র দলে খেলানো যাবে না। কিশোর ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এই নিয়ম করেছে আইসিসি। সেই নিয়মেই খেলা হবে না বৈভবের।
২০১১ সালে জন্ম বৈভবের। সেই হিসাবে এখন তার বয়স ১৪ বছর। অর্থাৎ, আরও এক বছরের আগে বৈভব ভারতের সিনিয়র দলে খেলতে পারবে না। তার আগে নয়।
মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শুধু ভারতীয় ক্রিকেট নয়, বিশ্বক্রিকেটে আলোচনা শুরু হয়েছে বৈভবকে নিয়ে। বিশেষ করে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের পর সেই আলোচনা আরও বেড়েছে। ফাইনালে তার ৮০ বলে ১৭৫ রানের দাপটে ৪১১ রান করে ভারত। ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে হারিয়ে ষষ্ঠ বারের জন্য ছোটদের বিশ্বকাপ জিতেছে তারা।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়েছে বৈভব। ছোটদের বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বাধিক রানের ইনিংস খেলেছে সে। প্রতিযোগিতায় ৩০ ছক্কা মেরেছে বৈভব। সেটিও রেকর্ড। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানও বৈভবের। ফাইনাল ও প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারও পেয়েছে সে।