শ্রেয়স আয়ার (বাঁ দিকে) এবং প্রীতি জ়িন্টা। — ফাইল চিত্র।
আইপিএলের ১৮ বছরের ইতিহাসে মাত্র তিন বার প্লে-অফ খেলেছে তারা। এক বারও ট্রফি জিততে পারেনি। গত বার ফাইনালে উঠে হেরেছে বেঙ্গালুরুর কাছে। সেই পঞ্জাবের অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা প্রকাশ্যে আনলেন ইরফান পঠান। জানালেন, পঞ্জাবের মালিকেরা ক্রিকেট না বুঝলেও সব ব্যাপারে মতামত দিতে আসেন।
‘স্টার স্পোর্টস’-এর অনুষ্ঠানে পঠান বলেছেন, “দ্বিতীয় বছরে (২০০৯) দলের মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না। আইপিএল সে বার দক্ষিণ আফ্রিকায় হয়েছিল। আমরা ভাল খেলতে পারিনি। প্রথম বছর সেমিফাইনাল খেলেছিলাম। সেই অধিনায়ককেই ধরে রাখা দরকার ছিল। তৃতীয় বছরে হঠাৎই নেতা বদলে গেল। ফলে কোচেদের মধ্যে একটা বিভেদ তৈরি হল। ওই কোচেরা কেউ ক্রিকেটীয় জগত থেকে আসেননি। দলের মালিকদের কারও ক্রিকেটবোধ ছিল না। ফলে কে কী বলছিলেন কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না।”
শুরু থেকেই পঞ্জাবের মালিক অভিনেত্রী প্রীতি জ়িন্টা। তাঁর সঙ্গে যুগ্ম মালিক হিসাবে রয়েছেন নেস ওয়াদিয়া, মোহিত বর্মন এবং করণ পল। পঠানের অভিযোগ, দলমালিকদের মধ্যে মতানৈক্য থাকার প্রভাব পড়েছিল ক্রিকেট মাঠে।
ভারতের প্রাক্তন বোলারের কথায়, “প্রথমে মনে হয়েছিল ওরা খুব ভাল মালিক। একে অপরের সঙ্গে কথা হত। কিন্তু ভেতরে ভেতরে কারও মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না, যার প্রভাব দেখা যেত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। ধরা যাক একজন মালিক বললেন, ‘আমাদের ওই দলের বিরুদ্ধে প্রথমে ফিল্ডিং করা উচিত’। আর একজন মালিক বললেন, ‘আমাদের অমুক দল খেলানো উচিত’। মাঠে ফলাফল না পাওয়া গেলে বিরাট সমস্যা তৈরি হত।”
পঞ্জাবের হয়ে ৪২টি ম্যাচে ৪৭টি উইকেট নিয়েছেন পঠান। তাঁর মতে, পরিস্থিতি হয়তো এখন বদলেছে। বলেছেন, “এখন মনে হচ্ছে পরিস্থিতি বদলেছে। ওদের দলটা থিতু হয়েছে। তবে ১২ বছরে ১২ জন অধিনায়ক খুব একটা ভাল বিষয় নয়। নেতৃত্বের উপরে আস্থা না থাকলে ক্রিকেটারেরাও নিজেদের নিরাপদ মনে করবে না।”