বরুণ চক্রবর্তী। ছবি: পিটিআই।
আইপিএলের শুরু থেকে খুব একটা ভাল খেলতে পারছিলেন না। উইকেট পেলেও প্রচুর রান দিচ্ছিলেন। রাজস্থানের বিরুদ্ধে অবশেষে প্রত্যাবর্তন হল ‘আসল’ বরুণ চক্রবর্তীর। রানও কম দিলেন। তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেটও। ম্যাচের পর বরুণ জানালেন, হাড়ে চিড় নিয়েই তিনি আইপিএলে খেলছেন। তাঁর মতে, এখনও ট্রফি জিততে পারে কেকেআর।
এ দিন দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসাবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০টি উইকেট নিলেন বরুণ। ১৫১টি ইনিংসে ২০০তম উইকেট পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিংহ। বরুণ পেলেন ১৫৫তম ইনিংসে। কুলদীপ যাদব (১৬০), জয়দেব উনাদকাট (১৬২) এবং মহম্মদ শামি (১৬৫) রয়েছেন বরুণের পরে।
রিঙ্কু সিংহ নয়, ম্যাচের সেরার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বরুণের হাতে। তিনি বলেন, “পিচ খুব একটা আলাদা ছিল না। আইপিএলে যেমন পিচ হয় তেমনই হয়েছে। আজ একটু মন্থর গতির ছিল, যা আমরা কাজে লাগিয়েছি। প্রথম কয়েকটা ম্যাচে আমি চোট পেয়েছিলাম। দুটো হাড়ে চিড় ধরেছিল। এখনও বাঁ হাতে চিড় দুটো রয়েছে। সেটা সামলেই খেলার চেষ্টা করছি। কাজটা কঠিন, তবু চেষ্টা তো করতেই হবে।”
সাফল্যের নেপথ্যে গোটা কোচিং স্টাফকে কৃতিত্ব দিয়েছেন বরুণ। বলেছেন, “ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়ে খুব ভাল লাগছে। নিজের ব্যাপারে কথা বলার আগে কোচিং স্টাফদের কৃতিত্ব দিতে চাই। গত কয়েকটা সপ্তাহ খুবই কঠিন গিয়েছে। ফলাফল আমাদের পক্ষে যায়নি। বাইরে থেকে প্রচুর কথাবার্তা শুনেছি। তবে প্রধান কোচ এবং বাকি কোচেরা কখনও সেই আওয়াজের প্রভাব আমাদের উপরে পড়তে দেননি। আমরা নিজেদের পদ্ধতিই অনুসরণ করছিলাম। এই জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল।”
সেই সূত্র ধরেই তিনি বললেন, “আমরা সব ম্যাচ জিততেই নামি। ট্রফির দাবিদার হিসাবেই প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমেছি। এখনও আশা আছে। এই জায়গা থেকেই ঘুরে দাঁড়ানো শুরু করতে হবে।”
সাফল্যের দিনে একটু অনুযোগও রয়েছে বরুণের। ব্যাটারদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, “পিচ আজ মন্থর ছিল। তবে মাঝের দিকে আরও ভাল ব্যাট করা উচিত ছিল আমাদের। তবে আজ জিতে এটুকু প্রমাণ করতে পেরেছি যে শুধু অংশগ্রহণ করতে আইপিএলে আসিনি।”