PSL 2026

বল বিকৃতির অভিযোগ অস্বীকার করেও রেহাই পেলেন না ফখর, ম্যাচ রেফারির শুনানিতে দোষী প্রমাণিত পাক ব্যাটার

ম্যাচ রেফারি রোশন মহানামার কাছে শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন ফখর জ়মন। যদিও প্রাথমিক ভাবে তাঁকে দোষী হিসাবেই চিহ্নিত করেছেন ম্যাচ রেফারি। আরও একটি শুনানির পর চূড়ান্ত রায় দেবেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৭:০৫
picture of cricket

ফখর জ়মন। ছবি: এক্স।

বল বিকৃতির অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক পাকিস্তানের ক্রিকেটে। জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটার অভিযুক্ত। লাহৌর কলন্দর্সের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি ছাড়াও হ্যারিস রউফ এবং ফখর জ়মানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বল বিকৃতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফখর। তা-ও সম্ভবত শাস্তি এড়াতে পারবেন না।

Advertisement

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বিবৃতিতে জানিয়েছে, আম্পায়ারদের রিপোর্ট এবং ঘটনার ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে প্রাথমিক ভাবে ফখরকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন ম্যাচ রেফারি রোশন মহানামা। তাঁকে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আচরণবিধির ২.১৪ ধারা অনুযায়ী ‘লেভেল থ্রি’ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে না পারলে বড় জরিমানা হতে পারে ফখরের।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘ম্যাচ রেফারির কাছে শুনানির সময় ফখর জ়মন নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরও একটি শুনানি হবে। তার পর ম্যাচ রেফারি রোশন মহানামা তাঁর রায় জানাবেন। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের বিতর্কিত ঘটনাটি ভাল ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রবিবার লাহৌরের সঙ্গে করাচি কিংসের ম্যাচ ছিল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য করাচির দরকার ছিল ১৪ রান। বল করতে যান রউফ। ওভার শুরুর আগে দেখা যায়, একসঙ্গে কথা বলছেন রউফ, শাহিন এবং ফখর। সেই সময় বার বার নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়া করছিলেন তাঁরা। প্রত্যেকেই বল নিয়ে হাতের তলায় লুকিয়ে রাখছিলেন। বিষয়টি চোখে পড়ে আম্পায়ার ফয়জ়ল আফ্রিদির। তিনি বল চেয়ে নেন। আর এক আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার সঙ্গেও কথা বলেন। খতিয়ে দেখে তাঁদের মনে হয়েছে, বল বিকৃত হয়েছে। তাই করাচিকে ৫ রান অতিরিক্ত দেন আম্পায়ার। এর পর শেষ ওভারে করাচির দরকার ছিল ৯ রান। সেই রান তুলে নেয় তারা।

Advertisement
আরও পড়ুন