কোহলি-সল্টের জুটিতে বড় রান বেঙ্গালুরুর। ছবি: পিটিআই।
আগের ম্যাচে প্রথম বলে আউট হয়েছিলেন। সেই আক্ষেপ সুদে-আসলে পুষিয়ে দিলেন ফিল সল্ট। রবিবার ওয়াংখেড়েতে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন বেঙ্গালুরুর ওপেনার। তার পরে ধ্বংসাত্মক ব্যাট করলেন রজত পাটীদার। অর্ধশতরান করেছেন বিরাট কোহলিও। প্রথমে ব্যাট করে ২৪০/৪ তুলেছে বেঙ্গালুরু।
এ দিন ম্যাচের শুরুতে প্রয়াত গায়িকা আশা ভোসলেকে স্মরণ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দুই দলের খেলোয়াড়েরাই হাতে কালো আর্মব্যান্ড পরে নেমেছিলেন। ম্যাচে অবশ্য মুম্বই বোলারদের কোনও দয়ামায়া দেখালেন না বেঙ্গালুরুর ব্যাটারেরা। যে-ই ক্রিজ়ে নেমেছেন রান করেছেন।
সল্ট এবং কোহলির ওপেনিং জুটি এমনিতেই আইপিএলের অন্যতম সেরা। রবিবার এই জুটির ধ্বংসাত্মক রূপ দেখল ওয়াংখেড়ে। তারিফও করল। তবে সল্ট যতটা আগ্রাসী ছিলেন, কোহলি ততটাই ছিলেন না। ছয় মেরে ইনিংস শুরু করলেও সেই আগ্রাসন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। সল্টের তাণ্ডবের পাশে কোহলির আগ্রাসন ফিকে লাগছিল। এক সময় জল্পনাও হচ্ছিল যে তাঁকে অবসৃত আউট করে উঠিয়ে নেওয়া হবে কি না। তবে দলের সেরা ব্যাটারের প্রতি তেমন কোনও কাজ করেনি বেঙ্গালুরু। কোহলি ৫টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে ৩৮ বলে ৫০ করেন। তবে স্ট্রাইক রেট ১৩১.৫৮, যা কোহলির থেকে বিশ্বাস করা একটু কষ্টকর।
সল্ট নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন অন্য উচ্চতায়। মিচেল স্যান্টনারের প্রথম ওভারে টানা তিনটি ছয় মারেন। জসপ্রীত বুমরাহ বাদে মুম্বইয়ের কোনও বোলারকেই পরোয়া করেননি তিনি। সল্টের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে যায় মুম্বইয়ের বোলিং। ৯ ওভারে ১০০ পেরিয়ে যায় বেঙ্গালুরুর রান। বাধ্য হয়ে শার্দূল ঠাকুরকে ডাকেন হার্দিক পাণ্ড্য। শার্দূল নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট এনে দেন। ওয়াইড ইয়র্কারে চালাতে গিয়ে কভারে হার্দিকের হাতে ক্যাচ দেন সল্ট।
ইংরেজ ব্যাটারের তাণ্ডব শেষ হওয়ার পর শুরু হয় পাটীদারের ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং। নেতৃত্ব যেন বদলে দিয়েছে মধ্যপ্রদেশের ব্যাটারকে। প্রথম বলেই শার্দূলকে চার মেরে শুরু। পরের ওভারে মায়াঙ্ক মারকান্ডেকে টানা তিনটি ছয় মারেন। একটা সময় মনে হচ্ছিল কোহলির আগেই অর্ধশতরান হয়ে যাবে তাঁর। শেষ পর্যন্ত ১৭ বলে অর্ধশতরান করে আউট হয়ে যান।
শেষের দিকে টিম ডেভিডের আগ্রাসী ব্যাটিং দেখা যায়। শুরুটা ধীরে করলেও পরের দিকে চালিয়ে খেলেছেন তিনি।