অর্ধশতরানের পর যশস্বী। ছবি: পিটিআই।
চলতি আইপিএলে টসে জিতলে প্রথমে বল করতেই দেখা যাচ্ছে সব দলকে। কলকাতা বাদে বাকি সব দলই এখনও পর্যন্ত রান তাড়া করে জিতেছে। শনিবার অহমদাবাদে উল্টো কাজ করলেন রিয়ান পরাগ। রাজস্থানের অধিনায়ক জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যশস্বী জয়সওয়াল, ধ্রুব জুরেলের অর্ধশতরানের সৌজন্যে ২১০/৬ তুলল রাজস্থান। বড় রান পেল না বৈভব সূর্যবংশী।
ব্যাট করতে নেমে বৈভব শুরুটা করেছিল ভালই। মহম্মদ সিরাজের প্রথম বলেই চার মারে সে। সেই ওভারে আরও একটি চার আসে। পরের ওভারে কাগিসো রাবাডাকেও চার মারে। ১৯ রানের মাথায় ক্যাচ পড়ে বৈভবের। অশোক শর্মার বলে বৈভব অফসাইডে খেলতে গিয়েছিল। অনেকটা দৌড়ে গিয়েও বল তালুবন্দি করতে পারেননি জস বাটলার। সেই বল সিরাজের বাঁচাতে গিয়ে বাউন্ডারি পার করে দেন। পরের বলেই অশোককে ছয় মারে বৈভব। পাওয়ার প্লে-তে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬৯ তুলে দেয় রাজস্থান।
তার পরেই ফিরতে হয় বৈভবকে। নিজের দ্বিতীয় বলেই ১৫ বছরের ক্রিকেটারকে ফেরান রশিদ খান। স্টাম্পে থাকা বল পুল করতে গিয়েছিল বৈভব। মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ নেন গ্লেন ফিলিপস। পাঁচটি চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ১৮ বলে ৩১ করে বৈভব।
তবে রাজস্থানের রান রেট তাতে কমেনি। যশস্বীর সঙ্গে জুটি বেধে গুজরাতের বোলারদের চাপে ফেলে দেন জুরেল। শনিবার চলতি আইপিএলে প্রথম অর্ধশতরান করলেন যশস্বী। শেষ পর্যন্ত ছ’টি চার এবং তিনটি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৫ করে ফেরেন যশস্বী। রিয়ান পরাগ (৮) ব্যর্থ। জুরেলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন শিমরন হেটমায়ার (১৮)। থামানো যাচ্ছিল না জুরেলকে। সিরাজ, রাবাডাদের মেরে তিনি ৪২ বলে ৭৫ করেন। মেরেছেন পাঁচটি চার এবং পাঁচটি ছয়। শেষের দিকে অনেকগুলি বল খেলে দেন রবীন্দ্র জাডেজা। সেই অনুযায়ী রান ওঠেনি।