এলিয়ে ওয়াহি। ছবি: রয়টার্স।
দেশের হয়ে বিশ্বকাপে নেমে একটি ম্যাচ খেলেও ফেলেছেন। শনিবার প্রকাশ্যে এল আইভরি কোস্টের ফুটবলার এলিয়ে ওয়াহির গ্রেফতার হওয়ার খবর। জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে আসার সপ্তাহ দুয়েক আগে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। পরে ছাড়া পেয়ে বিশ্বকাপে খেলতে এসেছেন। এত গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন ওয়াহিকে খেলতে দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
‘দ্য অ্যাথলেটিক’ জানিয়েছে, ২৩ বছরের ওয়াহির বিরুদ্ধে ফ্রান্স পুলিশের তদন্ত চলছে। ১৭ জুন মেটজের বিরুদ্ধে তাঁর ক্লাব নিসের হয়ে ইচ্ছা করে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। ২৯ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সাঁ এতিয়েনের বিরুদ্ধে দু’গোল করার পরেই পুলিশের খপ্পরে পড়েন ওয়াহি। জিজ্ঞাসাবাদের পর ছাড়া পান। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, সংগঠিত ম্যাচ গড়াপেটা, আর্থিক তছরূপের অভিযোগ রয়েছে।
এর পর ছাড়া পেয়ে তিনি আমেরিকায় গিয়েছেন এবং ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে আইভরি কোস্টের হয়ে খেলেওছেন। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর একটি শট বারে লাগে। পরের ম্যাচ শনিবার, জার্মানির বিরুদ্ধে টরন্টোয়।
ফরাসি লিগ যে সংস্থা আয়োজন করে তারাই জানিয়েছিল, নিস বনাম মেটজের খেলায় কিছু সন্দেহজনক ব্যাপার ঘটেছে। সেই ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় ওয়াহিকে। অভিযোগ ছিল, ৩৫ মিনিটে মেটজের ডিফেন্ডার সাদিবু সানেকে ইচ্ছা করে ট্যাকল করে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। তার চার মিনিট আগে প্রথম ফাউলের কারণে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে কার্ড দেখানো হয়নি।
কার্ড দেখার ফলে অবনমন প্লে-অফে ওয়াহি খেলতে পারেননি সাঁ এতিয়েনের বিরুদ্ধে। ম্যাচটি ড্র করে নিস। পরের পর্বে ৪-১ জেতে নিস। ওয়াহি দু’টি গোল করেন। পরে দুর্নীতি-বিরোধী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হন। তবে তদন্ত চলাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের অভিযোগ তোলা হয়নি। ওয়াহিকে কেন খেলার অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও ফিফা উত্তর দেয়নি।