লিয়োনেল মেসি। ছবি: রয়টার্স।
আর কোনও গোল করতে পারল না আর্জেন্টিনা। যদিও কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল। এঞ্জোর একটি শট বাঁচান ভোজ়িনহা। দাপট রয়েছে আর্জেন্টিনারই।
বিশ্বকাপে প্রথম ফুটবলার হিসাবে ৩০টি ম্যাচ খেলে ফেললেন মেসি। এই নজির আর কারও নেই। সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার নজির আগেই করেছেন তিনি। পাশাপাশি গোলও হয়ে গেল ২০টি। বিশ্বকাপে টানা আটটি ম্যাচে গোল করলেন তিনি। এ বার বিশ্বকাপে সাতটি গোল হয়ে গেল।
গোল হজম করার পর থেকে কাবোর খেলায় বদল এসেছে। তাদের আর সে ভাবে আক্রমণ করতে দেখা যাচ্ছে না। কিছুটা নীচে নেমে এসে রক্ষণ করছেন ফুটবলারেরা।
অসাধারণ বললেও কম বলা হয়। গোল এবং পাস দুটিই দুর্দান্ত। মাঝমাঠ থেকে বাঁ পায়ে বল তুলে দিয়েছিলেন লিসান্দ্রো। বাঁ পায়ে বল রিসিভ করেই চকিতে শট মারলেন মেসি। প্রথম বার থেকে গোল হজম ভোজ়িনহার।
মেসিরা আপ্রাণ চেষ্টা করেও গোলমুখ খুলতে পারছেন না। কাবো ভার্দে রক্ষণ জমাট রেখেছে। ফাঁক পাওয়া যাচ্ছে না বল পাস দেওয়ার।
মোলিনাকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বক্সে। আর্জেন্টিনা আবেদন করলেও লাভ হয়নি। পরের মুহূর্তে মেসি বক্সের বাইরে একটি ফ্রিকিক পান। তাঁর শট যায় গোলকিপার ভোজ়িনহার হাতে।
আর্জেন্টিনা বল ছাড়ছেই না। তাদের পায়েই ঘোরাফেরা করছে বল। কিন্তু কাবো ভার্দের গোলমুখ এখনও খুলতে পারেনি তারা।
জাতীয় সঙ্গীতের পর শুরু দু’দলের ম্যাচ।
সোনার বুট পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত আর্জেন্টিনা এবং কাবো ভার্দে একটিও ম্যাচে হারেনি। কাবো তিনটি ম্যাচেই ড্র করেছে। আর্জেন্টিনা তিনটি ম্যাচই জিতেছে।
আর্জেন্টিনার কোচ হিসাবে সেঞ্চুরি করতে চলেছেন লিয়োনেল স্কালোনি। কোচ হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচে দায়িত্বে থাকবেন।
এমিলিয়ানো, মোলিনা, রোমেরো, লিসান্দ্রো, মেদিনা, দি পল, ফার্নান্দেজ়, ম্যাক অ্যালিস্টার, আলমাদা, মেসি, লাউতারো।
ভোজ়িনহা, বোর্জেস, লোপেস, পিনা, কাবরাল, সিডনি, দেরস দুয়ার্তে, লারস দুয়ার্তে, মেন্দেস, কোস্তা, মোরেরা।