FIFA World Cup 2026

শারীরিক সক্ষমতার ফুটবলে আটকে গেল কেনের ইংল্যান্ড, সব অস্ত্র ব্যবহার করেও ঘানার রক্ষণ ভাঙতে পারলেন না টুখেল

এ বারের বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা রক্ষণ ইংল্যান্ডের। অন্যতম সেরা আক্রমণ বিভাগও। সেই আক্রমণ বিভাগ নিয়েই চিন্তায় থাকবেন টমাস টুখেল। আক্রমণে বৈচিত্র্য বাড়াতে না পারলে ভাল কিছু করা কঠিন হতে পারে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৩:৩৬
picture of football

হ্যারি কেন। ছবি: রয়টার্স।

ইংল্যান্ড - ০

Advertisement

ঘানা - ০

ইংল্যান্ডের কঠিন পরীক্ষা নিল ঘানা। আফ্রিকার দেশের জমাট ডিফেন্স ভাঙতেই পারলেন না হ্যারি কেনরা। প্রতি আক্রমণে উঠে ঘানা কয়েক বার হানা দিয়েছে ইংরেজ ডিফেন্সে। তবে গোল করতে পারল না কোনও দলই। ফুটবল দক্ষতার পাশাপাশি দু’দলের ফুটবলারদের শারীরিক সক্ষমতার লড়াইও হল।

গতিময় টাফ ফুটবলে কিছুটা এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। টমাস টুখেলের দল মাঝে মাঝে গতি কমিয়ে দিয়ে নিজেদের মধ্যে পাস খেলে খেলার রাশ নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাতে লাভ বিশেষ হয়নি। ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় ঘানার বক্সে কিছুটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যাম এবং কেনের বোঝাপড়ায় তৈরি হওয়া আক্রমণ হারিয়ে যায় ঘানার ডিফেন্ডারদের ভিড়ে। ইংরেজদের বক্সের মধ্যে জায়গাই দিচ্ছিলেন না ঘানার ফুটবলারেরা। কেন, অ্যান্টনি গর্ডনেরা বল পেলেই দু’তিন জন ডিফেন্ডার ঘিরে ফেলছিলেন। সেই জাল ভেদ করতে পারলেন না ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকারেরা। ঘানার বিরুদ্ধে কখনওই চেনা ছন্দে দেখা গেল না ইংল্যান্ডকে।

শারীরিক ফুটবলের মূল্য দিতে হল দু’দলকেই। ঘানার এক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পান কেন। ২১ মিনিটের মাথায় রিসি জেমসের মাথার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ঘানার অধিনায়ক জর্ডন আয়েউর। দু’দলের চিকিৎসকেরা মাঠে এসে দুই ফুটবলারকে পরীক্ষা করেন। আয়েউর মাথা ফেটে যায়। ব্যান্ডেজ বেঁধে বাকি ম্যাচ খেলেন। শারীরিক ফুটবল একেক সময় প্রায় কুস্তি পর্যায় চলে গেল। বড় চোট পেতে পারতেন যে কেউ।

গোলের খোঁজে ৬৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা এবং নিকো ও'রেইলিকে নামান টুখেল। তুলে নেন জেড স্পেন্স এবং গর্ডনকে। উইংয়ে খেলা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন । ৮৩ মিনিটে ননি মাদুকে তুলে মার্কাস র‌্যাশফোর্ডকেও নামান। ৩ পয়েন্টের লক্ষ্য সব অস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেন ইংল্যান্ড কোচ। ৮৬ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন কেন। ও'রেইলির হেড বারে গেলে ফিরে আসে। ছয় গজের বক্সের মাথায় ফাঁকায় ফিরতি বল পেয়েও উড়িয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

এ বারের বিশ্বকাপে অন্যতম সেরা আক্রমণ বিভাগ ইংল্যান্ডের। কিন্তু আক্রমণ বিভাগ নিয়েই চিন্তায় থাকবেন টুখেল। আক্রমণে বৈচিত্র্য বাড়াতে না পারলে ভাল কিছু করা কঠিন হতে পারে ১৯৬৬-র বিশ্বজয়ীদের পক্ষে।

Advertisement
আরও পড়ুন