লড়াই: ইন্ডিয়া ওপেনে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার পথে লক্ষ্য। ছবি: পিটিআই।
ইন্ডিয়া ওপেনের প্রথম রাউন্ডে আযুষ শেট্টিকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় লক্ষ্য সেন। এই মুহূর্তে ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের অন্যতম সেরা দুই তরুণের দ্বৈরথে লক্ষ্য জিতলেন স্ট্রেট গেমে। লক্ষ্য ও আয়ুষ দু’জনেই পরস্পরের খেলা খুব ভাল করে জানেন। কারণ দু’জন অনুশীলন করেন একসঙ্গে। তাই হয়তো লক্ষ্যের জন্য লড়াইটা সোজা ছিল না গত সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় প্রাক্তন বিশ্বের দু’নম্বর লি জি জিয়াকে হারানো আয়ুষের বিরুদ্ধে। তার পরেও ২০২৩-এ বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী ২০ বছর বয়সি আয়ুষ দুরন্ত লড়াই করেন। শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য জেতেন২১-১২, ২১-১৫ ফলে।
প্রথম গেমে পিছিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় গেমে আয়ুষ মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন সমতা ফেরানোর। আগের চেয়ে আগ্রাসী খেলছিলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকা লক্ষ্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ফিরতে দেননি আয়ুষকে। লক্ষ্যের পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ জাপানের কেন্তা নিশিমোতো। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে লক্ষ্যের পরেই রয়েছেন তিনি। ১৩ নম্বরে রয়েছেন লক্ষ্য, ১৪ নম্বরে নিশিমোতো।
এ দিকে আবার দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর, খেলোয়াড়েরা অসুস্থ বা আহত হতে পারেন। ইন্ডিয়া ওপেনে খেলতে এসে এমনই অভিযোগ তুললেন ডেনমার্কের ব্যাডমিন্টন তারকা মিয়া ব্লিকফেল্ট। শুধু তাই নয়, তিনি এ ব্যাপারে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থার হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন। যাতে চলতি বছরের মাঝামাঝি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আগে উন্নতি ঘটে।
‘‘এখানকার পরিবেশ খুবই অপরিচ্ছন্ন। খেলোয়াড়দের জন্য খুবই অস্বাস্থ্যকর। প্রত্যেকে তাই একের উপরে এক পোশাক চাপিয়ে, দস্তানা, টুপি পরে অনুশীলন করছে। যা একেবারেই আদর্শ নয়। বিশেষ করে কোর্টে যখন খেলোয়াড়দের দ্রুত গতিতে নড়াচড়া করতে হয়,’’ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন মিয়া। কানাডার মিশেল লি এবং প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন রাতচানক ইন্তাননও কোর্টের তাপমাত্রা কম থাকার অভিযোগ করেন।