Robot and AI

কৃত্রিম মেধাকে কাজে লাগিয়ে ‘বংশবৃদ্ধি’ করছে রোবট! ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবী চালাবে ১০০ কোটি যন্ত্রমানব?

কৃত্রিম মেধাকে কাজে লাগিয়ে যন্ত্রমানব বংশবৃদ্ধিও করতে পারবে বলে আধুনিক গবেষণায় প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ফলে আগামী দিনে পৃথিবীর যাবতীয় কাজ তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৫:৫৮
Representative Picture

—প্রতীকী ছবি।

পৃথিবী চালাচ্ছে যন্ত্রমানব! রয়েছে তাদের প্রজনন ক্ষমতা, পৃথক চিন্তাশক্তি। শুধু তা-ই নয়, মানুষের উপর দিব্যি ছড়ি ঘোরাচ্ছে রোবট। না, কোনও বইয়ের পাতা বা চলচ্চিত্রের পর্দায় উঠে আসা কল্পবিজ্ঞানের কাহিনি নয়। ২১ শতকে তেমনটাই ঘটতে চলেছে বলে এ বার ইঙ্গিত দিলেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। ফলে সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে উদ্বেগ যে বেড়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement

মানুষের তৈরি রোবট মানুষকেই নিয়ন্ত্রণ করবে? সেটা কি আদৌ সম্ভব? একটি উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যেতে পারে। সম্প্রতি ব্যাঙের জীবন্ত কোষ (স্টিম সেল) ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন একটি বিশেষ ধরনের যন্ত্রমানব। সেটা নিজের থেকেই কোষ সংগ্রহ করে আরও রোবট তৈরি করতে পারে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই দুনিয়া জুড়ে পড়ে যায় শোরগোল।

গবেষকদের কেউ কেউ একে যন্ত্রমানবের বংশবৃদ্ধি বলে উল্লেখ করেছেন। এমনটা শুধু রোবটের দুনিয়ায় ঘটছে ভাবলে ভুল হবে। দীর্ঘ দিন ধরেই ক্লোন তৈরি করতে পারে এমন কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছিল মেটা ও আলিবাবার মতো টেক জায়ান্ট। অবশেষে সেখানে সাফল্য এসেছে বলে খবর সূত্রের।

পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেটা ও আলিবাবার ওই এআই প্রযুক্তি নিজেই নিজের কোড লিখতে সক্ষম। এর মাধ্যমে নিজে থেকে উন্নত সংস্করণে বদলে যেতে দেখা গিয়েছে ওই কৃত্রিম মেধাকে। তা ছাড়া চিন এবং ধনকুবের মার্কিন শিল্পপতি ইলন মাস্কের বৈদ্যুতিন গাড়ির সংস্থা টেসলার কারখানায় এমন রোবট রয়েছে যা বিভিন্ন সরঞ্জাম জুড়ে তৈরি করতে পারে এক বা একাধিক যন্ত্রমানব।

বিজ্ঞানীদের অনুমান, ২০৫০ সাল নাগাদ সারা পৃথিবীতে রোবটের সংখ্যা দাঁড়াবে কমবেশি ১০০ কোটি। অনেকেই একে প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় বিপ্লব বলে মনে করছেন। যদিও একাংশের ধারণা এর জেরে উল্টে মানুষের বাড়বে চ্যালেঞ্জ। কারণ, কারও সাহায্য ছাড়াই যদি মেশিন চলতে পারে এবং বংশবৃদ্ধি করতে পারে, তা হলে পৃথিবীতে অবাঞ্ছিত হয়ে পড়বে মানুষ।

Advertisement
আরও পড়ুন