Smartphone Charging

প্লাগে চার্জার দিয়ে সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় না চার্জিং! কেন পাওয়ার বুস্টিংয়ে সময় নেয় স্মার্টফোন?

প্লাগে দিয়ে পাওয়ার সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে স্মার্টফোনে শুরু হয় না চার্জিং। এক থেকে দেড় সেকেন্ড পর মুঠোবন্দি ডিভাইসে যাওয়া শুরু করে বিদ্যুৎ। কেন এই সতর্কতা?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৩
Representative Picture

—প্রতীকী ছবি।

দিন দিন আরও স্মার্ট হচ্ছে স্মার্টফোন। মুঠোবন্দি ডিভাইসে জুড়ে যাচ্ছে কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স)। তাই কি চার্জিংয়ের সময় ধীরে শুরু হয় তার পাওয়ার বুস্টিং? গ্যাজেট বিশ্লেষকদের দাবি, বর্তমান সময়ে ওই কায়দাতেই স্মার্টফোন তৈরি করছে যাবতীয় সংস্থা। মূলত ব্যাটারি ও ফোনের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

Advertisement

স্মার্টফোন চালু রাখতে ব্যবহারকারীদের সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটিতে নিয়মিত চার্জ দিতে হয়। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে এতে চার্জার লাগিয়ে পাওয়ার সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় না চার্জিং। অন্তত এক সেকেন্ড সময় নেয় স্মার্টফোন। মূলত ডিভাইসটিকে বিপন্মুক্ত রাখতেই তাতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে সমস্ত নির্মাণকারী সংস্থা।

গ্যাজেট বিশেষজ্ঞদের কথায়, চার্জিং শুরু হওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে গরম হয়ে জ্বলে যেতে পারে স্মার্টফোন। তা ছাড়া চার্জার খারাপ হয়ে যাওয়া, বেশি বিদ্যুৎ চলে আসা বা ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার মুখেও পড়তে পারেন ব্যবহারকারী। অর্থাৎ, চার্জিংয়ের জন্য মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট হয়ে যেতে পারে বহুমূল্য সাধের স্মার্টফোন।

সেই কারণেই বর্তমানে মুঠোবন্দি ডিভাইসগুলিতে একটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে চার্জার জুড়ে পাওয়ার সুইচ দিলেই নিজের থেকে পরিস্থিতি বিচার করে নিতে পারছে সংশ্লিষ্ট স্মার্টফোন। অর্থাৎ, কী ধরনের চার্জার দেওয়া হয়েছে বা ভোল্টেজ কতটা আসছে। সেই কারণেই পাওয়ার সুইচ দেওয়ার কয়েক সেকেন্ড পর শুরু হচ্ছে চার্জিং।

এককথায় নতুন প্রযুক্তিতে নিজে থেকেই চার্জ দেওয়ার অনুমতি দিতে পারে স্মার্টফোন। ফলে অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকে ব্যাটারি থেকে শুরু করে মুঠোবন্দি ডিভাইসটির স্বাস্থ্য। ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকেই অতি সাবধানি। যে কোনও চার্জার দিয়ে স্মার্টফোনে চার্জ দেন না তাঁরা। তবে এই প্রযুক্তি থাকার কারণে তাঁদের এ বিষয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

Advertisement
আরও পড়ুন