ছবি : সংগৃহীত।
বছর দশেক আগে যে ভাবে ভ্রমণ করেছেন, এখনও কি সেভাবেই করেন? ভেবে দেখবেন, নানা ভাবে বেড়ানোর ধরন গত দশ বছরে বদলেছে। যত দিন যাচ্ছে, তত এই বদল আরও দ্রুত হচ্ছে। প্রতি বছরই বদলাচ্ছে বেড়ানোর ট্রেন্ড। ২০২৬ সালেও এমন অনেক বদল আসতে চলেছে। সেগুলি কী কী? এক নজরে জেনে নিন।
১. ‘কোয়ায়েটকেশন’ ও ডিজিটাল ডিটক্স
অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন থেকে বাঁচতে মানুষ এখন নিরিবিলি জায়গার খোঁজ করছে।
ট্রেন্ড: নির্জন পাহাড়ি রিসোর্ট বা বনের ভেতর ছোট কেবিনে সময় কাটানো।
উদ্দেশ্য: ল্যাপটপ-মোবাইল দূরে রেখে প্রকৃতির সঙ্গে মনের সুতো জুড়ে নেওয়া এবং মানসিক প্রশান্তি।
২. এআই চালিত ভ্রমণ পরিকল্পনা
আগে বেড়ানোর পরিকল্পনা করতেন ট্রাভেল এজেন্টরা। এখন এআই চালিত চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মাধ্যমেই মানুষ সম্পূর্ণ ট্যুর প্ল্যান তৈরি করছে।
সুবিধা: বাজেট ও রুচি অনুযায়ী একদম ব্যক্তিগত সফরসূতি মুহূর্তেই তৈরি হয়ে যাবে।
৩. পরিবেশবান্ধব পর্যটন
পরিবেশের ক্ষতি না করে ভ্রমণ করার মানসিকতা বাড়ছে। ফলে বাড়ছে প্লাস্টিক-মুক্ত রিসোর্ট, স্থানীয় পণ্য ব্যবহার এবং ট্রেন বা ইলেকট্রিক গাড়িতে যাতায়াত করার প্রবণতা। চাহিদা বাড়ছে ইকো-ভিলেজ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত ট্যুর প্যাকেজগুলোরও।
৪. সেট-জেটিং এবং লিটারারি ট্রাভেল
প্রিয় কোনো সিনেমা, ওয়েব সিরিজ বা বইয়ের পটভূমিতে তৈরি হওয়া জায়গায় ভ্রমণের ট্রেন্ড এখন তুঙ্গে।
উদাহরণ: প্রিয় লেখকের জন্মস্থান বা বিখ্যাত কোনো সিনেমার শুটিং স্পট (যেমন: তুরস্ক বা ইটালির বিভিন্ন জায়গা) দেখার ইচ্ছা।
প্রভাব: সোশাল মিডিয়া বিশেষ করে এবং ইনস্টাগ্রামের প্রভাবে এই ট্রেন্ড আরও জনপ্রিয় হচ্ছে।
৫. স্লো ট্রাভেল
তাড়াহুড়ো করে ১০ দিনে ৫টি দেশ ঘোরার চেয়ে, একটি জায়গায় ১০ দিন থেকে সেখানকার সংস্কৃতিকে অনুভব করার নামই স্লো ট্রাভেল।
পছন্দ: আকাশপথের চেয়ে রোড ট্রিপ বা দূরপাল্লার বিলাসবহুল ট্রেনের যাত্রা এখন অনেক বেশি জনপ্রিয়।