২০২৫-এর অক্টোবর। স্বপন কামিল্যার খোঁজে তাঁর গ্রামে গিয়েছিলেন রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। দত্তাবাদে সোনার দোকান ছিল স্বপনের। গ্রামের লোকেরা শুনেছিলেন, বিডিও-র বাড়িতে সোনা চুরি হয়েছে। সেই সোনা স্বপনের দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। তাই স্বপনের খোঁজ করছেন বিডিও। ২৮ অক্টোবর, দত্তাবাদ থেকে অপহরণ করা হয় স্বপনকে। তুলে নিয়ে যাওয়া হয় যে বাড়ি ভাড়া নিয়ে স্বপন দোকান চালাতেন, সেই বাড়ির মালিক গোবিন্দ বাগকেও। অভিযোগের তির ছিল বিডিও-র দিকেই। গোবিন্দ অবশ্য সে দিন ফিরতে পেরেছিলেন। স্বপন আর ফেরেননি। যাত্রাগাছির খাল থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় পর দিন। ঘটনার পর প্রায় বছর ঘুরতে চলল। স্বপনের মৃত্যুরহস্যের কিনারা হয়নি এখনও, গ্রেফতার হননি বিডিও প্রশান্ত বর্মণও।