ধর্ম ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি, উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে এক আইনের আওতায় আনতেই অভিন্ন বিধির প্রস্তাব। এই বিধির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নাগরিকদের অধিকার ও সুরক্ষায় অভিন্ন বিধির ভাবনার উল্লেখ মেলে সংবিধানে। যদিও এ নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রসঙ্গ উঠেছে বার বার। ২০১৮ সালে দেশের ২১ তম আইন কমিশন জানিয়েছিল, ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র মাথায় রাখা জরুরি। অভিন্নতার সূত্রে বাঁধতে গিয়ে তা যেন ক্ষুণ্ণ না হয়। দেশের সংহতির পক্ষে তা যেন বিপদের নতুন কারণ না হয়ে ওঠে। এই সূত্রেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর ক্ষেত্রে দেখা দেয় বিরোধিতা। এ বার পশ্চিমবঙ্গও এই বিল কার্যকর করার পথে এগোচ্ছে। সম্ভাবনা বিধানসভা সরগরম হওয়ার।