দমদম স্টেশনে গুঁড়িয়ে যাওয়া হকারদের দোকানগুলোর মধ্যে বিশ্বজিত সাউয়ের দোকানও ছিল। দুই ছেলে, স্ত্রী রূপালি আর অসুস্থ মাকে নিয়ে বিশ্বজিতের সংসার। বিশ্বজিতের গল্প আসলে এই পশ্চিমবঙ্গেরই গল্প। যেখানে কারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিকেরা কাজ হারান, শিক্ষকের চাকরি জোটাতে মোটা টাকা ঘুষ দিতে হয়, এমএ পাশ করেও চাকরি মেলে না। বিশ্বজিতের স্ত্রীও স্বামীর সঙ্গে দোকান চালাতেন। রূপালি বলছেন, “পাল্টানো দরকার, পাল্টেছে। এতটাই পাল্টেছে যে গরিবদের মরে যেতে হবে। শুধু বড়লোকেরাই থাকবে।”