Viral Video

এসির বালাই নেই, গুমোট গরম এড়াতে সৈকতে সার দিয়ে শুয়ে দরিদ্র মুম্বইবাসী! ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই প্রতিক্রিয়া নেটপাড়ায়

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পুরুষ, মহিলা ও শিশু-সহ শত শত মানুষ সৈকত জুড়ে মাদুর বা চাদর বিছিয়ে তার উপর শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। দিনের আলো কমে আসার পর জায়গাটি একটি অস্থায়ী বিশ্রামস্থলের আকার ধারণ করেছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ ১৫:১৬

ছবি: সংগৃহীত।

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। বাড়িতে ঘুমোনো তো দূরের কথা এক দণ্ড টেকা দায়। জুলাই মাস পড়ে গেলেও তীব্র গরমে মুম্বইবাসীদের নাজেহাল দশা। স্বস্তিদায়ক বৃষ্টির লক্ষণও খুব কম। এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে, তাপ থেকে বাঁচতে বহু মানুষকেই সেখানকার ভারসোভা সৈকতে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। রাতের দিকে ঘরের ভিতরের গুমোট পরিবেশ এড়াতে বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই সমুদ্রের ধারে বালিতে চাদর পেতে রাত কাটাচ্ছেন। এমনই এক ভিডিয়ো সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পুরুষ, মহিলা ও শিশু-সহ শত শত মানুষ সৈকত জুড়ে মাদুর বা চাদর বিছিয়ে তার উপর শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। দিনের আলো কমে আসার পর জায়গাটি একটি অস্থায়ী বিশ্রামস্থলের আকার ধারণ করেছে। প্রচণ্ড গরমের কবলে পড়ে দরিদ্র মানুষদের একাংশ এই খোলা জায়গায় ঘুমোতে বাধ্য হয়েছেন। বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে, টিনের চালের ঘরগুলোর ভেতরে গরম অসহনীয় হয়ে ওঠায় তাঁরা মাটিতেই ঘুমোচ্ছেন। রাতেও তাপমাত্রা বেশি থাকায় অনেকে খোলা জায়গায় বিশ্রাম নিতে পছন্দ করছেন, যেখানে তাঁরা এই গুমোট পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।

ভিডিয়োটি ‘মুম্বইকালচার’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার পর বহু মানুষের তা নজরে পড়েছে। স্থানীয় বহু বস্তিবাসীই জানিয়েছেন যে প্রবল গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে তাঁরা সমুদ্রসৈকতে রাত কাটাতে আসেন। ভিডিয়োটি দেখার পর গরমে বস্তিবাসীদের দুর্দশা নিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন বহু মানুষ। আবার অনেকে বাণিজ্যনগরীর আলো ঝলমলে দুনিয়ার বিপরীত দৃশ্যটি নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন