ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন অনেকেই। দক্ষতা, কঠোর পরিশ্রম করার ক্ষমতা, যোগ্যতা ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে জেরবার করে তোলেন ইন্টারভিউ কর্তারা। তবে কখনও আবার এটুকুতেই তাঁদের আলোচনা সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রশ্ন তোলা হয় এমন বিষয় নিয়েও যা কাজের সঙ্গে কোনও ভাবেই সম্পর্কিত নয়। সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনা নজরে পড়েছে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের।
সমাজমাধ্যম এক্স-এর (সাবেক টুইটার) ‘সিয়েরা’ নামক একটি হ্যান্ডল থেকে একটি ঘটনা ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে তাঁর বন্ধুর একটি অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখেছেন পোস্টদাতা। সেখানে তিনি লিখেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার (রিপাবলিক অফ কোরিয়া বা আরওকে) একটি সংস্থায় চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তাঁর বন্ধু।
পোস্টদাতা জানিয়েছেন, সংস্থাটি তাঁকে নাকচ করেছে এক অদ্ভুত কারণে। পোস্টটি থেকে জানা গেছে সেখানে নাকি তাঁকে বলা হয়, “তুমি যদি নিজের স্থূলতাকেই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারো, তাহলে একটা চাকরি সামলাবে কী করে?” পোস্টদাতা এর পর প্রশ্ন তুলেছেন যে একটি চাকরির ক্ষেত্রে কারও শারীরিক গঠন কেমন, সে বিষয়টি আদৌ জরুরি কি না। যদিও সেই পোস্টটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ঘটনাটি সামনে আসতে নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। অনেকে ঘটনাটিকে ‘মানসিক আঘাত’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন বহু মানুষ। এক নেটাগরিক লিখেছেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁকে কখনও ‘মোটা’ বলা হয়নি, কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ায় আসার পরই লোকজন তাঁকে ওজন কমানোর পরামর্শ দিতে শুরু করে।” আর এক ব্যক্তি বলেছেন, “এশীয় পরিবারগুলিতেও ওজন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রায়ই কঠোর ভাবে আলোচনা করা হয়। মাঝেমধ্যে যা অত্যন্ত অপমানজনক হয়ে ওঠে।”