ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
তরুণের পরনে বরের পোশাক। মাথায় লাল-সাদা পাগড়ি। দু’দিকে হাত ছড়িয়ে সমুদ্র দেখছেন তিনি। যেন তিনি দুনিয়ার রাজা। কিন্তু তাঁর পা মাটিতে পড়ছে না। নতুন বরকে কাঁধে চাপিয়ে সমুদ্রসৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নববধূ। সেই আনন্দে হাত ছড়িয়ে সমুদ্রের হাওয়া উপভোগ করছেন তরুণ। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘নয়েজ়লেসনিউজ়’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক তরুণীর কাঁধের দু’দিকে পা ছড়িয়ে বসে রয়েছেন এক তরুণ। তরুণ-তরুণীর পরনে বিয়ের পোশাক। সংবাদমাধ্যম ‘বৈশাখী টিভি’ সূত্রে খবর, এই ঘটনাটি সম্প্রতি বাংলাদেশের কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে ঘটেছে। বরকে কাঁধে চাপিয়ে সমুদ্রসৈকতে হাঁটছেন তরুণী।
এক বার আবার বরকে কাঁধে নিয়ে গোল করে পাকও খেয়ে নিলেন নববধূ। তার পর স্বামীকে কাঁধ থেকে নামিয়ে আনন্দে নেচে উঠলেন তরুণী। তাঁর জীবনসঙ্গীও সমুদ্রে নেমে আনন্দ উপভোগ করতে লাগলেন। নবদম্পতির সমুদ্রভ্রমণের ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটপাড়ায় হাসির ফোয়ারা ছুটেছে।
ভারতীয় উপকথা অনুযায়ী, রাজা বিক্রমাদিত্য যখন শ্মশান থেকে তান্ত্রিকের নির্দেশে বেতালকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন বেতাল তাঁর কাঁধে পিঠে চড়ে বসত। সেই প্রসঙ্গ টেনে এক নেটাগরিক মজা করে লিখেছেন, ‘‘এ যে আধুনিক যুগের বিক্রম-বেতাল! কী আনন্দে সমুদ্রে ঘুরছেন!’’ আবার কেউ কেউ তরুণীর গায়ের জোরের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘‘তরুণকে কাঁধে চাপিয়ে এ ভাবে হাঁটার জন্য শারীরিক বলের প্রয়োজন। তরুণীকে কুর্নিশ জানাই।’’