—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বাড়িতে একা পেয়ে বছর পঁয়ত্রিশের এক বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল পড়শি চার যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার একটি গ্রামে ওই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দু’জনকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, বাকি দুই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গ্রামেই মহিলার শ্বশুরবাড়ি। তাঁর দুই মেয়ে রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না-হওয়ায় দিন কয়েক আগে, দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি বাপের বাড়িতে আসেন। শুক্রবার রাতে মহিলার বাবা-মা দুই নাতনিকে নিয়ে বেরিয়েছিলেন। সেই সুযোগে চার যুবক ওই বাড়িতে হাজির হয়। সকলেই মহিলার পরিচিত। তাদের মধ্যে এক জন দরজায় ধাক্কা দেওয়ায় মহিলা খুলে দেন। অভিযোগ, এর পরেই চার জন এক সঙ্গে ভিতরে ঢুকে মহিলার মুখ রুমালে চাপা দিয়ে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এক ফাঁকে মহিলা চিৎকার করে উঠলে পড়শিরা জড়ো হন। তার আগেই অবশ্য চার জন চম্পট দেয়।
মহিলার বাবা-মা ঘটনা জেনে পুলিশের দ্বারস্থ হন। রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করে। তদন্তকারীরা জানান, আটক দু’জনের কথাবার্তায় অসঙ্গতি থাকায় শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়। এ দিনই ওই নির্যাতিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরে আদালতে তিনি বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন। ঘটনার
তদন্ত শুরু হয়েছে।
মহিলার মা বলেন, ‘‘বিশেষ কাজে আমি ও স্বামী এক জনের বাড়িতে গিয়েছিলাম। নাতনিরা আমাদের সঙ্গে ছিল। ফিরে এসে সব শুনি। জঘন্য অপরাধ। মেয়ে চেঁচামেচি না করলে, পড়শিরা জড়ো হতেন না।
মেয়েকে মেরে ফেলারও চক্রান্ত করেছিল ওই ছেলেগুলো। ওদের কঠিনতম শাস্তি চাই।’’