গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম (এআই প্রণীত)।
বাদুড়িয়ায় যুবক খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক জন। তিনি খুনের চক্রান্তকারী বিএলও রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টুর সঙ্গে ছিলেন এবং নাসির মণ্ডলকে খুনের পর তাঁর দেহ লোপাটে সাহায্য করেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে বাদুড়িয়াকাণ্ডে মোট তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও রিজওয়ান এবং সাগর গাইন নামে এক ভাড়াটে খুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, এসআইআরের জন্য প্রেমিকার স্বামী নাসিরকে নথি নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বলেছিলেন রিজওয়ান। নাসির দেখা করতে গেলে তাঁকে ভাড়াটে খুনির সাহায্যে খুন করেন বিএলও। তার পর দেহ খণ্ড খণ্ড করে কেটে কয়েকটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরেছিলেন। প্যাকেটগুলো ফেলেছিলেন এলাকার বিভিন্ন জলাশয়ে এবং খালে। ওই কাজে বিএলও-কে সহায়তা করেছেন প্রদীপ মণ্ডল নামে এক যুবক। তাঁকেই পাকড়াও করেছে পুলিশ।
পুলিশের একটি সূত্রে খবর, অভিযুক্ত প্রদীপের সঙ্গে বাকি দুই ধৃত রিজওয়ান এবং সাগর অনলাইনে জুয়ার কারবার করতেন। এ ছাড়া নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত প্রদীপ। নাসিরকে খুনের পর টুকরো টুকরো করে কাটার ক্ষেত্রে তিনি সরাসরি যুক্ত বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। কোথা থেকে প্রদীপকে ধরা হয়েছে, তা এখনই জানাতে রাজি নয় পুলিশ। আপাতত ১১ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে বসিরহাট মহকুমা আদালতে হাজির করানো হচ্ছে ধৃত তরুণকে।
উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাদুড়িয়ার পাপিলা এলাকায় একটি জায়গায় নাসিরকে ফোন করে ডেকে টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। ১৩ তারিখ তাঁর দেহাংশ উদ্ধার হয় জলাশয় এবং খালে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত বিএলও-র সঙ্গে নাসিরের স্ত্রীর পরকীয়া ছিল। সেটা জানাজানি হতেই নাসিরকে খুন করেন বিএলও। তার পর সেই দেহ উদ্ধার হয় ।