Manoranjan Mondal

প্রাক্তন ওসি-র গ্রেফতারি, ইডি জানায়নি রাজ্যকে

কয়লা পাচারের মামলায় মনোরঞ্জনের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের তরফে বিভাগীয় তদন্ত চলছিল। এর মধ্যেই সাত বার তলব করার পরে বৃহস্পতিবার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে এসেছিলেন মনোরঞ্জন।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ০৫:৪৯
মনোরঞ্জন মণ্ডল।

মনোরঞ্জন মণ্ডল। — ফাইল চিত্র।

২০২৫ সালের কয়লা পাচারের মামলায় আসানসোল দুর্গাপুর কমিশনারেটের বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে গ্রেফতার করার ৭২ ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও ইডির তরফে সরকারিভাবে রাজ্য সরকারকে তা জানানো হয়নি বলে দাবি রাজ্য পুলিশের কর্তাদের।

প্রসঙ্গত, ওই মামলায় বৃহস্পতিবার মনোরঞ্জন মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। কয়লা মাফিয়াদের সঙ্গে সিন্ডিকেট তৈরি করে কোটি কোটি টাকা লুটের অভিযোগে মনোরঞ্জনকে গ্রেফতার করে ইডি। শুক্রবার তাঁকে বিচার ভবনের সিবিআই বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে মামলার তদন্তকারী অফিসার মনোরঞ্জন ও কয়লা মাফিয়াদের সিন্ডিকেটের একাধিক যোগসূত্র এবং ‘প্রোটেকশন মানি’ হিসাবে কোটি কোটি টাকা লুট করার ভূরি ভূরি তথ্যপ্রমাণলিখিত ভাবে আদালতে পেশ করেছেন।

কিন্তু রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কথায়, ওই গ্রেফতারের ঘটনা সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে জানা গিয়েছে। রাজ্য পুলিশকে সরকারি ভাবে তা জানানো হয়নি। ওই বিষয়ে সরকারি ভাবে অন্ধকারে রয়েছেরাজ্য পুলিশ।

প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারের মামলায় মনোরঞ্জনের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের তরফে বিভাগীয় তদন্ত চলছিল। এর মধ্যেই সাত বার তলব করার পরে বৃহস্পতিবার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে এসেছিলেন মনোরঞ্জন। তদন্তে অসহযোগিতা এবং আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগে তাঁকেগ্রেফতার করা হয়।

এই প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী অভিজিৎ ভদ্র বলেন, “কোনও সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ থাকলে ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং’ আইনের ধারায় রাজ্য সরকারের কোনও রকম সম্মতি ছাড়া গ্রেফতার করা যায়। কিন্তু গ্রেফতার করার পরে রাজ্য সরকারকে জানানোর নিয়ম রয়েছে। কোনও ভাবে হয়তো দেরি হয়ে থাকতে পারে।বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন