শুভেন্দু অধিকারী। — ফাইল চিত্র।
বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের আগে, সরকারের প্রথম সিদ্ধান্তে কী চমক থাকবে, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের পথ প্রশস্ত করতে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে প্রশাসন। স্বাস্থ্য থেকে পরিকাঠামো—সবই থাকছে এক বন্ধনীতে।
মমতা সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের টানাপড়েনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল আয়ুষ্মান ভারত চালু করা। পশ্চিমবঙ্গে এত দিন স্বাস্থ্যসাথীকেই এগিয়ে রাখা হয়েছিল। এ বারে আয়ুষ্মান ভারত চালু করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজ্যের আধিকারিকদের একটি দল শীঘ্রই দিল্লিতে গিয়ে প্রকল্প কার্যকর করার প্রশিক্ষণ নেবেন। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন প্রকল্পে কেন্দ্রের পুরো সুবিধা পেতে বার্ষিক পরিকল্পনা তৈরির কাজও চলছে। চলতি মাসের শেষ দিকে সেই রূপরেখা কেন্দ্রের কাছে জমা পড়তে পারে।
আধিকারিকদের একটা অংশ মনে করছে, আয়ুষ্মান ভারত, মহিলা-চাকুরিপ্রার্থীদের আর্থিক সহায়তা, সপ্তম বেতন কমিশন চালুর মতো যে বিষয়গুলি ‘সঙ্কল্প পত্রে’ রাখা হয়েছিল, সেগুলিতে অগ্রাধিকারি দিতে পারে সরকার। বকেয়া ডিএ মেটানোর কাজেও গতি আসতে পারে, আশা কর্মচারী মহলের। রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি নড়বড়ে। পরিকাঠামো থেকে শিল্প, কর্মসংস্থান থেকে শিক্ষা—সব ক্ষেত্রেই টাকার অভাব। আর্থিক বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির থেকে মুখ ঘুরিয়ে থাকার ফলে কোষাগারে চাপ বেড়েছিল। তা প্রকট হয়, বেহিসেবী খরচে। ফলে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রসঙ্গ ওঠে বার বার। এ বারে সে শব্দবন্ধটিও বিলুপ্ত হবে।