Election Duty

ভোটের চিঠি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও

আগামী রবিবার প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণে হাজির থাকারাও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত, তৃতীয় পোলিং অফিসারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

সুপ্রকাশ চৌধুরী
শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ০৯:১৫
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের কাজে নিয়োগ না করার নির্দেশ রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তার পরেও ভোটের প্রশিক্ষণের চিঠি পেয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের কয়েকটি দফতরের বেশ কয়েক জন চুক্তিভিত্তিক কর্মী। বিশেষ করে শিক্ষা সুপারভাইজার, শিক্ষাবন্ধুদের ভোট সংক্রান্ত প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী রবিবার প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণে হাজির থাকারাও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত, তৃতীয় পোলিং অফিসারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে তাঁদের। সবমিলিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। জেলা প্রশাসনের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন চুক্তিভিত্তিক কর্মীর দাবি, “আমাদের হাতে প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার চিঠি চলে এসেছে। না গেলে শোকজ় করা হতে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের কাজে লাগানো যাবে না। আমরা কী করব, তা নিয়ে মহা সমস্যায় পড়েছি।” তাঁদের আরও দাবি, প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করলে চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে, আবার কমিশনের নির্দেশের বিরুদ্ধেও যেতে চান না তাঁরা। জেলা প্রশাসন তাদের অবস্থান স্পষ্ট করুক বলে, দাবি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের। শিক্ষা সুপারভাইজ়ারদের একজন শরৎ কোলে বলেন, ‘‘কমিশন ও প্রশাসনের মধ্যে বিভ্রান্তি না কাটলে বিপদে পড়ব আমরা।’’ শিক্ষাবন্ধু, বিভিন্ন দফতরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের অনেকের কাছেই চিঠি গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। এক কর্তার কথায়, “ঘটনাটি ঠিক কী হয়েছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। যদি কোনও বিভ্রান্তি থেকে থাকে, তা দ্রুত স্পষ্ট করা হবে।”

আরও পড়ুন