Howrah-Bardhaman

জুড়ে যাবে হাওড়া-বর্ধমান মেন ও কর্ড শাখা! কোন পথে, কী ভাবে পরিকল্পনা করছে রেল

হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে কর্ড লাইনের সরাসরি কোনও যোগাযোগ নেই। একই ট্রেনে চড়ে বর্ধমান বা বাঁকুড়া থেকে হুগলির তারকেশ্বরে যাওয়ার কোনও উপায় নেই। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সেই সমস্যা আর থাকবে না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০১
Howrah-Bardhaman main and cord line may be merged soon

বর্ধমান-হাওড়া শাখার ট্রেন। — ফাইল চিত্র।

হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে কি এ বার মিলে যাবে কর্ড লাইন? তেমনই ভাবনাচিন্তা শুরু করল রেল। ইতিমধ্যেই হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনের সঙ্গে বাঁকুড়া দামোদর রিভার রেলের (বিডিআর) লাইনের সংযুক্তিকরণের কাজ শেষ হয়েছে।

Advertisement

হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের সঙ্গে কর্ড লাইনের সরাসরি কোনও যোগাযোগ নেই। একই ট্রেনে চড়ে বর্ধমান বা বাঁকুড়া থেকে হুগলির তারকেশ্বরে যাওয়ার কোনও উপায় নেই। অনেক ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। শুধু সাধারণ যাত্রী নয়, বর্ধমান-বাঁকুড়া-হুগলির অনেক কৃষককে কষ্ট পোহাতে হয়। হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার মশাগ্রাম স্টেশনে গত বছরই যুক্ত হয়েছে বিডিআর লাইনের সঙ্গে। তাতে কিছুটা সুরাহা হলেও দীর্ঘ পথ সরাসরি যাওয়ার উপায় নেই। তবে কর্ড এবং মেন লাইন জুড়ে গেলে সেই কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছেন বর্ধমান, হুগলি, বাঁকুড়ার মানুষ। তাঁরা এ-ও মনে করেন, এই রেলপথ সংযোগের জন্য ‘জমি’ বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

রেল সূত্রে খবর, হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের রসুলপুর থেকে হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার পাল্লা রোড পর্যন্ত সাত-আট কিলোমিটারের নতুন রেলপথ তৈরি করা হবে। সেইমতো মশাগ্রামে কর্ড শাখার লাইন আর বাঁকুড়া লাইনে ক্রসিংয়ের জন্যে ‘রেল ওভার ব্রিজ’ তৈরি করবে রেল। বালি স্টেশনের মতো এখানেও থাকবে একই স্টেশনের উপরে এবং নীচে দু’টি প্ল্যাটফর্ম। এই ব্যবস্থাপনায় বাঁকুড়া-মশাগ্রাম লাইনে ‘হল্ট স্টেশন’ হিসাবে মাঠনসিপুর স্টেশনটিকে চিহ্নিত করা হবে। শুধু তাই নয়, মাঠনসিপুর থেকে হুগলির জঙ্গলপাড়া পর্যন্ত নতুন লাইন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে রেলের।

এই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার লক্ষে রেল বোর্ড মেমারির রসুলপুর থেকে পাল্লারোড-মশাগ্রাম-মাঠনসিপুর হয়ে জঙ্গলপাড়া পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার রেল পথের সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে। এ নিয়ে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানান, “নতুন রেলপথের প্রস্তাব এসেছে। চূড়ান্ত সমীক্ষা করে তা দেখা হবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন