HS Students

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে মা এবং শাশুড়ির ‘টানাটানি’! পড়ে চোট পরীক্ষার্থীর, শেষে ফিরলেন শ্বশুরবাড়িতেই

গুসকরার পিপি ইনস্টিটিউশনের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীকে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছাত্রীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের ইচ্ছায় শ্বশুরবাড়িতেই ফিরে যান বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:১৯
One student fell ill in Guskara HS examination hall due to chaos between family and in-laws

মা এবং শাশুড়ির দড়ি টানাটানিতে পরীক্ষা কেন্দ্রেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন ছাত্রী। —প্রতীকী চিত্র।

দিন ১৫ আগে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন। বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন ছাত্রী। মা এবং শাশুড়ির দড়ি টানাটানিতে এই হাল। গুসকরার পিপি ইনস্টিটিউশনের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। পরে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয় হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছাত্রীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের ইচ্ছায় শ্বশুরবাড়িতেই ফিরে যান বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

পরিবার সূত্রে খবর, গুসকরা গার্লস হাইস্কুলের ওই ছাত্রী দু’সপ্তাহ আগে গুসকরা শহরেরই এক যুবককে বিয়ে করেন। ছাত্রীর বাবা-মা এই বিয়েতে প্রথমে রাজি ছিলেন না বলে দাবি। যদিও ছাত্রীর শাশুড়ির দাবি, দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা বলেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা দিতে শ্বশুরবাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে যান ছাত্রী। স্বামী তাঁকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে চলে যান। অভিযোগ, পরীক্ষা শেষ করে তিনি বাইরে বেরোতেই তাঁর মা তাঁকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেতে চান। ছাত্রী যেতে না চাইলে শুরু হয় টানাটানি। তার জেরে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান ছাত্রী। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতাল চত্বরে দুই পরিবারের মধ্যে আবার এক দফা বচসা হয়।

গুসকরা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ছাত্রীর বাপের বাড়ি। ওই শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা ২৮ বছরের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। দু’সপ্তাহ আগে দু’জন বিয়ে করেন। ছাত্রীর মায়ের আক্ষেপ, ‘‘আমি মেয়েটাকে আরও পড়াশোনা করাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা ওর মাথাটাই নষ্ট করে দিল। হয়তো ওর পরে শিক্ষা হবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন