আগুন লাগানোর পর বগটুইয়ের ভস্মীভূত হয়ে যাওয়া একটি বাড়ি। —ফাইল চিত্র।
বীরভূম থেকে সরে গেল বগটুই মামলা। সাক্ষীদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে এই মামলা অন্যত্র সরানোর আর্জি জানিয়েছিল সিবিআই। বুধবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ মামলাটি পূর্ব বর্ধমান জেলায় সরানোর নির্দেশ দেন। এ বার মামলাটির শুনানি কোথায় হবে, তা পূর্ব বর্ধমানের জেলা বিচারক স্থির করবেন।
এত দিন বগটুই গণহত্যাকাণ্ডের শুনানি চলছিল বীরভূমের রামপুরহাট মহকুমা আদালতে। এর আগে একাধিক বার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয় যে, বগটুই মামলার প্রায় ১০০ জন সাক্ষীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আদালতে সাক্ষীরা বয়ান বদলে ফেলছেন বলেও দাবি করা হয়। সাক্ষীদের প্রভাবমুক্ত রাখতে অন্য জেলায় মামলাটি স্থানান্তরিত করার আর্জি জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী অমাজিৎ দে।
২০২২ সালের ২১ মার্চ রাতে রামপুরহাট থানার ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বগটুই মোড়ে বোমা মেরে খুন করা হয় এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা স্থানীয় বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান ভাদু শেখকে। সেই রাতেই ভাদুর অনুগামীরা বগটুইয়ের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ। তাতে মৃত্যু হয় ১০ জনের। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে বগটুই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার পায় সিবিআই। সিবিআই তৎকালীন রামপুরহাট ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি আনারুল হোসেন-সহ ২৩ জনের নামে প্রথম চার্জশিট জমা দেয়।