—প্রতীকী চিত্র।
ভোট ঘোষণার আগেই পরপর হিংসার অভিযোগ উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে। শনিবার গভীর রাতে কোচবিহারের নাটাবাড়ি এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে বিরোধী নেতানেত্রীদের উপরে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সে রাতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা ভাঙড়ে তৃণমূলের পর্যবেক্ষক সওকাত মোল্লার কনভয়ে বোমা-গুলি ছোড়ার অভিযোগ আইএসএফের বিরুদ্ধে।
আলিপুরদুয়ারের বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য কল্পনা নাগ জানান, দল তাঁকে কোচবিহারের নাটাবাড়ি বিধানসভার ইন-চার্জ করেছে। রবিবার তুফানগঞ্জ থানায় তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার রাতে নাটাবাড়ি ছিট বড়চৌকি এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করে ও পাথর ছোড়ে। তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া, ছিনতাইয়ের চেষ্টাও হয়। কল্পনার দাবি, ‘‘হামলার পিছনে তৃণমূল রয়েছে।’’ নাটাবাড়ির বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামীর অভিযোগ, ‘‘কয়েক দিন ধরেই আমাদের নেতা-কর্মীদের উপরে হামলা হচ্ছে।’’ নাটাবাড়ির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষের পাল্টা দাবি, ‘‘বিজেপির নিজেদের মধ্যে বিরোধে এমন ঘটতে পারে।’’
তপনে সিপিএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক দিলীপ বিশ্বাস ও আরও দুই কর্মীর উপরে হামলার অভিযোগ উঠেছে আউটিনা পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান দুলালী সোরেনের স্বামী জয়দেব হেমব্রম ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে লস্করহাটে তাঁদের দেওয়াল লেখার কর্মসূচি ভেস্তে দিতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা হয়, অভিযোগ দিলীপের। জয়দেবের পাল্টা দাবি, ‘‘আমাদের এক কর্মীকে রঙের কৌটো ছুড়ে মারেন দিলীপেরা। তখন দু’পক্ষের হাতাহাতি হয়।’’ জেলার পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তল বলেন, ‘‘দু’টি অভিযোগ মিলেছে। তদন্ত চলছে।’’
ভাঙড়ে তৃণমূল বিধায়ক সওকাতের উপরে হামলার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে দলের যোগের কথা অস্বীকার করে আইএসএফের দাবি, সওকাত নিজের নিরাপত্তা বাড়াতে নাটক করছেন।