—প্রতীকী চিত্র।
জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়ে গেলেও, সব আর্থিক অনুদান বা পরিষেবার আবেদনপত্র পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। কারণ, প্রথম দিন আয়ুষ্মান ভারত-সহ নানা ধরনের সরকারি পেনশনের ফর্ম পাওয়া যায়নি বলেই জানিয়েছিলেন উপভোক্তাদের একটা বড় অংশ। তবে কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে, মঙ্গলবার পদ্ধতিতে কিছুটা বদল হয়েছে বলে খবর। জেলা প্রশাসনগুলি জানাচ্ছে, এ দিন থেকে প্রায় সব ধরনের আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে শিবিরগুলি থেকে।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, এ দিন মুখ্যমন্ত্রী সব জেলা কর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন ভার্চুয়াল মাধ্যমে। সেখানে ফর্ম না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। অনেক ফর্মে আগের সরকারের ‘জয় বাংলা’ নাম কেন লেখা রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর নির্দেশ, বয়স্ক উপভোক্তাদের যেন শিবির পর্যন্ত আসতে না হয়। জেলা প্রশাসনই প্রচার এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে তাঁদের চাহিদা বুঝে।
আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের উপভোক্তা বাছাইয়ের প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি নির্ভর করা হচ্ছে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় থাকা মানুষদের তথ্যভাণ্ডারের উপর। কারণ, যাচাই হওয়া সেই তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে আধারের সংযোগ রয়েছে। ফলে তার আওতায় থাকা উপভোক্তাদের নাম আয়ুষ্মানেনথিবদ্ধ হতে সমস্যা নেই।
কিন্তু সেই আইনের আওতায় যাঁরা নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে সত্তরোর্ধ্ব এবং ৭০ বছরের নীচে থাকা ব্যক্তিদের পৃথক গোত্র রাখা হয়েছে। তার ভিত্তিতে আবেদনপত্র দেওয়া হচ্ছে বলে জেলা আধিকারিকদের দাবি। পূর্ব বর্ধমান-সহ একাধিক জেলা থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রতিটি জনকল্যাণশিবিরেই এ দিন বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতার ফর্মও দেওয়া হয়েছে।