I-PAC Case Hearing

কেন্দ্রের কি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হতে পারে? আইপ্যাক মামলায় প্রশ্ন রাজ্যের, সওয়াল পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠনের

বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। এর বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১১:২৩
আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন।

আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন। —ফাইল চিত্র।

সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি শুরু হল। বুধবার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। এর বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, “চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আপনারা এত দিনেও কেন পাল্টা জবাব দিলেন না?”

Advertisement

রাজ্যের তরফে ইডির মামলার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, “আমরা মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি চাই।” সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়, “শুনানি শুরু করা হোক। আপনারা (রাজ্য) ইডির পাল্টা হলফনামা জমা দিতে চাইছেন। আবার মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন? আপনাদের মূল অবস্থান কী?” শীর্ষ আদালত জানায়, রেকর্ডে যা আছে, তাই নিয়েই শুনানি চলবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।”

কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সময় চাওয়ার আর্জির বিরোধিতা করে বলেন, “দুই সপ্তাহ আগেই অতিরিক্ত হলফনামা দাখিল করা হয়েছে। অন্তত মামলাটা পিছোনোর জন্য একটা যুক্তিযুক্ত কারণ থাকা উচিত। এটা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। আর এখন আবার মামলার শুনানিতে দেরি করা হচ্ছে?” দুই পক্ষের উদ্দেশেই বিচারপতি বলেন, “শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার লড়াই চলছে না। আপনারা সওয়াল শুরু করুন।”

মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, “ইডি কোনও কর্পোরেট সংস্থা নয়। তাদের মামলা করার অধিকার নেই। মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন থাকতে হবে। ইডির তো কোনও মৌলিক অধিকারই নেই, তাই তার লঙ্ঘনও হতে পারে না।” একই সঙ্গে শ্যামর সংযোজন, “সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনও রেফারেন্স শুনানির জন্য ন্যূনতম পাঁচ জন বিচারপতি থাকতে হবে। এখানে ইডি আইনগত প্রশ্ন তুলেছে।” শ্যাম এ-ও বলেন যে, “এখানে ইডি মানে কেন্দ্রীয় সরকার মামলা করেছে। ফলে আদালতকে দেখতে হবে, কেন্দ্রীয় সরকার আদৌ অভিযোগ করতে পারে কি না যে, কোনও রাজ্য সরকার তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করছে।”

Advertisement
আরও পড়ুন