চ্যাম্পিয়ন দল। নিজস্ব চিত্র
দিনভর তাঁরা দৌড়ে ফেরেন এক চিকিৎসক থেকে অন্য চিকিৎসকদের কাছে। মাঠের দৌড়েও যে তাঁরা পিছিয়ে নেই, মেডিক্যাল রিপ্রেজ়েন্টেটিভরা (এমআর) ফের তার প্রমাণ দিলেন ব্যাট-বল হাতে। কারও ব্যাট থেকে স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছুটল। কারও বলের নাগাল পেলেন না ব্যাটার। সব মিলিয়ে গত রবিবার শ্রীরামপুরের বল্লভপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জমে উঠল এমআর-দের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। তাঁদের সঙ্গে চিকিৎসকেরাও প্রদর্শনী ম্যাচ খেললেন।
খেলার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘বাপি মাঠে আয়’। এটি চতুর্থ বর্ষ। উদ্যোক্তা— হুগলি জেলা মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজ়েন্টেটিভস এবং চিকিৎসকেরা। উদ্যোক্তারা জানান, দিন রাতের টেন এ সাইড (একটি দলে দশ জন) এই প্রতিযোগিতায় মোট দল ছিল ১২টি। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘এলিট ঈগল’। ‘টিম ইনসিবল্’ হয়েছে রানার্স।
ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ‘এলিট ঈগল’। নির্ধারিত পাঁচ ওভারে তিন উইকেটের বিনিময়ে ৪৫ রান তোলে ‘টিম ইনসিবল্’। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দু’ওভার চার বলেই জয়ের রান তুলে ফেলে ‘এলিট ঈগল’। ম্যাচের সেরা হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন দলের অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে গুড্ডু। প্রতিযোগিতার সেরা ব্যাটার এবং সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারও এসেছে তাঁর ঝুলিতেই। প্রতিযোগিতার সেরা বোলার তাঁর সতীর্থ অর্পণ পাল।
প্রদর্শনী ম্যাচে এমআর-দের দলকে ৩৪ রানে হারায় চিকিৎসকদের দল। মারকাটারি ক্রিকেটে মজলেন দর্শক। চিকিৎসকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শঙ্কর দাস, শঙ্করনাথ ঝা, পরমার্থ বিশ্বাস, দেবত্র বসু, অমৃত বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ দাস, আকাশকুসুম বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্মাল্য মালিক প্রমুখ। খেলাধুলোর এই আসরে সামাজিক কাজেও এগিয়ে এলেন উদ্যোক্তারা। শ্রীরামপুরের একটি অনাথ আশ্রমে মেয়েদের শিক্ষার জন্য একটি কম্পিউটার তুলে দেওয়া হল।