Himachal Pradesh Flash Flood

হরপা বানে ভাঙল সেতু, হিমাচলে আটকে পর্যটক

বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন কাজ শুরু করলেও সেতু ও রাস্তা চলনসই হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে বলে তাঁদের ধারণা। ভদ্রেশ্বরের বাসিন্দা ভ্রামণিক শক্তিপদ ভট্টাচার্য ফোনে জানালেন, দুর্গম ওই এলাকায় তাঁরা ভালই আছেন। থাকা-খাওয়ার সমস্যা নেই। স্থানীয়েরা অতিথিবৎসল।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০১:৩১
বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল।

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল। — ফাইল চিত্র।

হিমাচল প্রদেশে বেড়াতে গিয়ে হরপা বানে আটকে পড়েছেন বেশ কিছু পর্যটক। সোমবার হরপা বানে ওই রাজ্যের লাহুল-স্পিতি জেলার উদয়পুরের কাছে একটি সেতু এবং রাস্তা হরপা বানে ভেঙেই বিপত্তি। হুগলির চার প্রবীণ মানুষ জানালেন, পরিস্থিতির জেরে মানালিতে হোটেলে ফিরতে পারেননি। উদয়পুরে হোটেলে কাটাতে হচ্ছে।

বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন কাজ শুরু করলেও সেতু ও রাস্তা চলনসই হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে বলে তাঁদের ধারণা। ভদ্রেশ্বরের বাসিন্দা ভ্রামণিক শক্তিপদ ভট্টাচার্য ফোনে জানালেন, দুর্গম ওই এলাকায় তাঁরা ভালই আছেন। থাকা-খাওয়ার সমস্যা নেই। স্থানীয়েরা অতিথিবৎসল। তিনি বলেন, ‘‘সোমবার দু’টো মন্দির দেখে মানালি ফেরার কথা ছিল। তাই ব্যাগপত্তর মানালির হোটেলে রেখে এসেছি। সমস্যা হচ্ছে, ফিরতে না পারায় এক কাপড়েই থাকতে হচ্ছে। ভ্রমণসূচিও বদলাতে হবে।’’

শক্তিপদ, তাঁর স্ত্রী রত্না, শক্তিপদের বন্ধু বিপ্লব বসু ও বিপ্লবের স্ত্রী শুভ্রা ১৭ জুন হিমাচলে যান। চার জনেই ষাটোর্ধ্ব। সোমবার সকালে মানালি থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে উদয়পুরে যান। তিলকনাথ ও বিকুলামাতার মন্দির দেখে বিকেলে মানালি ফেরার কথা ছিল। দুপুরে চন্দ্রভাগা নদীর শাখা ঝালমা নালায় হরপা বানের মতো পরিস্থিতি হয়।

শক্তিপদ বলেন, ‘‘ঝালমা নালা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে আছি। হুগলি-সহ পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলা, বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটকও আছেন। অনেকে মোটর বাইকে এসেছেন। কাল ভোরে (বুধবার) হেঁটে নদী পেরোনোর চেষ্টা করব। হিমাচল পুলিশ যোগাযোগ করে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।’’

আরও পড়ুন